ভারতের নয়া দিল্লিতে শীর্ষ বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ২২টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এছাড়াও তিস্তাচুক্তি এগিয়ে আনাসহ সহযোগিতার নানা প্রতিশ্রুতিও হয়েছে।
শনিবার ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে শীর্ষ বৈঠকে শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি দুই দেশের প্রতিনিধে দলের নেতৃত্ব দেন।
প্রতিবেশী দুই দেশের শীর্ষ বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ যে সব ঘোষণা এসেছে-
মোট ২২টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই। এর মধ্যে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে চারটি চুক্তিপত্র বিনিময় হয়েছে।
তৃতীয় লাইন অব ক্রেডিটের আওতায় বাংলাদেশকে সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে ভারত। গত ছয় বছরে তা ৮ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হলো।
সামরিক কেনাকাটায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে ভারত।
৩৬টি কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপনে চুক্তি।
আরও সীমান্ত হাট চালু করতে সমঝোতা স্মারক।
বাংলাদেশের বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণে সমঝোতা স্মারক।
কলকাতা-খুলনা-ঢাকা বাস চলাচল এবং খুলনা-কলকাতা ট্রেন চলাচল, রাধিকারপুর- বিরল রেললাইন উদ্বোধন।
তিস্তাচুক্তির পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, ‘এ সমস্যা সমাধান একমাত্র আমাদের সরকারই পারবে।’
২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিতে ভারতের সমর্থন পাওয়ার কথা জানিয়েছেন শেখ হাসিনা।
হিন্দি ভাষায় বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী : দুই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী যৌথভাবে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনীর হিন্দি সংস্করণ উন্মোচন করেন। অনুষ্ঠানে নয়া দিল্লির পার্ক স্ট্রিট ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রোড’ উদ্বোধন করেন তারা।
স/ এষ্

