পদক পেলেন জাফরুল আহসান, বিমল চন্দ্র সাহা ও প্রফেসর ড. আবু খলদুন আল- মাহমুদ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্বের ইতিহাসে অন্যন্য সাধারণ ব্যক্তিত্ব। বিশ্বের স্বাধীনতা সংগ্রামে যাঁরা নেতৃত্ব প্রদান করেছেন তিনি তাদেঁর মধ্যে অন্যতম একজন। ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরে তিনি অনুধাবন করতে পেরেছিলেন যে, ভারতের দুই অংশে অবস্থিত দুটি অঞ্চল নিয়ে গঠিত জাতি-রাষ্ট্র পাকিস্তান বাস্তব কারনেই স্বাধীনাত সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে পারবে না। ভূ-রাজনৈতিক বিষয়ে তিনি অত্যন্ত সচেতন ছিলেন।
পাকিস্তানের দুই অঞ্চলের বিভাজিত সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নতুন এই রাষ্ট্রটিকে টিকিয়ে রাখতে পারবে না। বাঙ্গালীদের চৈতন্য, স্বপ্ন ও ভাবনা সম্পর্কে অন্যান্য নেতৃবৃন্দের তুলনায় তিনি অধিকতর সচেতন ছিলেন। তিনি শুধু সাহসী নেতা ছিলেন না, ছিলেন জাতির পরিবর্তনশীল চিন্তা চেতনার অগ্রানায়ক। বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি বিশ্বের ইতিহাসের চির অমলীন ও ভাস্বর হয়ে থাকবেন। তাঁর স্বপ্ন চৈতন্য ও ভাবনা থেকে জাতি আজ কিছুদূর ছিটকে পড়েছে। দূরদৃষ্টিসম্পন্ন অবিসম্বাদিত এই নেতা দিকনির্দেশনার দিকে জাতিকে আবার ফিরে যেতে হবে। বিভাজন নয় ঐক্যের পথেই আগাতে হবে।
উপর্যুক্ত কথাগুলো উচ্চারিত হয় গতকাল ২১শে আগস্ট সেন্টার ফর ন্যাশনাল কালচার সিএনসি আয়োজিত নজরুল একাডেমীতে অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী অনুষ্ঠানে। বিশিষ্ট গবেষক ও সমাজচিন্তক শাহ আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রবীণ সংবাদিক দৈনিক নয়াদিগন্তের সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিন। প্রধানবক্তা হিসাবে ছিলেন বাংলা একাডেমীর সাবেক পরিচালক অধ্যাপক মুহাম্মাদ সিরাজ উদ্দিন। আলোচনায় ছিলেন এডভোকেট হুসাইন মোঃ শফিকুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক মাহবুবুল হক।
অনুষ্ঠানের বিশেষ এক পর্বে “বঙ্গবন্ধু সিএনসি পদক ২০১৭” প্রদান করা হয়, কবি লেখক জাফরুল আহসানকে এবং “রবীন্দ্রনাথ সিএনসি পদক ২০১৭” প্রদান করা হয় বিমল চন্দ্র সাহাকে এবং “আকরম খাঁ সিএনসি পদক ২০১৭” প্রদান করা হয় প্রফেসর ড. আবু খলদুন আল- মাহমুদ কে।
অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন কণ্ঠ শিল্পী মাসুদ রানা।
স/মা

