আবু নাসের হুসাইন, সালথা (ফরিদপুর)প্রতিনিধি-
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার মোট আয়তন ১৮৫.১১ বর্গ কিলোমিটার। এখানে কৃষকের চাষাবাদী জমির পরিমান ১৩ হাজার ৬শ’ ৭৫ হেক্টর। এ বছরে এই উপজেলায় প্রধান ফসল পাটের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ১০ হাজার হেক্টর, তা অতিক্রম করে ১১ হাজার হেক্টর জমিতে পাট চাষ করা হয়েছে। বর্তমানে পাটের আগাছামুক্ত করতে ব্যাস্ত হয়ে পড়েছে চাষীরা।
এলাকার একাধিক পাট চাষীরা জানান, এবছরে এই উপজেলায় জমিতে পাট যে ভাবে বেড়ে উঠছে, তাতে প্রত্যাক পাট চাষীদের মূখে হাসি ঝলক দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে প্রত্যাকটি এলাকায় পাট নিরানির কাজে ব্যাস্ত রয়েছে কৃষকরা। এবার আবহাওয়া যদি পাট চাষীদের অনুকুলে থাকে তাহলে পাটের বাম্পার ফলন হতে পারে। এ অঞ্চলের মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। সৃজনালী ফসলের যদি কোন প্রকার ক্ষতি দেখা দেয় তাহলে চাষীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সে কারণে এ বছর একটু আগেই কৃষকরা পাট চাষ করেছে। হালকা বৃষ্টি, প্রখর রোদ্র ও মৃদ বাতাসে পাট দিন দিন বেড়েই চলছে। কয়েকদিন পড়েই পাটের মধ্যে থেকে ছোট পাট কাটার কাজ শুরু হবে।
সোনাপুর ইউনিয়নের পাট চাষী কাওছার আলী এ প্রতিবেদককে বলেন, আগের চেয়ে এবছরে পাটের কাঠামো অনেক উন্নত। দীর্ঘদিন ভারী বৃষ্টি না হলে এবার ফলন বেশি হতে পারে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মাদ বিন ইয়ামিন বলেন, এবছরে আবহাওয়া যদি পাটের অনুকুলে থকে তাহলে অন্য বছরের চেয়ে এবার পাটের ফলন বেশি হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
স/এষ্

