হারুন-অর-রশীদ,ফরিদপুর প্রতিনিধি
ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় ঢাল তৈরীর সরঞ্জামসহ ১৬ টি ঢাল উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের গোপালিয়া গ্রামের খবির মিস্ত্রীর বাড়ি হতে ঢাল, উন্নতমানের সীট কার্টার, বল্লমসহ এসব সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, উক্ত গ্রমের খবির মিস্ত্রী ও তার ছেলে নিজ বাড়িতে ঢাল তৈরী করছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অতর্কিতে অভিযান চালায় সালথা থানার ওসি আমিনূল ইসলামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ। এ সময় বাড়ীর পাঁশের পাহারাদার কতৃক খবর পেয়ে মিস্ত্রী সরঞ্জাম ফেলে পালিয়ে যায়। পুলিশ যাবতীয় উপকরণাদি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসলেও কাউকেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
দাঙ্গাপ্রবণ উপজেলা সালথায় কাইজ্যার সময় মারনাস্ত্র হিসেবে ঢাল, সড়কি, বল্লম ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। এখানে প্রকাশ থাকে যে, কাইজ্যা- দাংগা প্রশমনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত সকল মারনাস্ত্র গত এপ্রিল মাসের ২৪ তারিখের মধ্যে থানায় জমা দেবার জন্য অফিসার ইন-চার্জ সালথা থানা কতৃক উপজেলার সর্বত্র মাইকিং করে সর্বস্তরের জনগণকে অবহিত করা হয়েছিলো। মাইকে প্রচারের সময় বলা হয়েছিলো উক্ত তারিখের পর যদি কোন বাড়ি বা ব্যক্তির কাছে ওসব মারনাস্ত্র পাওয়া যায় তবে তাঁর বিরুদ্ধে অধিক শাস্তি প্রয়োগ করে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কিন্ত উপজেলার কোন ব্যক্তি বা মাতুব্বর এ আহবানে সাড়া না দিয়ে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার মানসে ও পক্ষ-পাল্লার শক্তি বৃদ্ধি করতে ওসব অস্ত্রের মওজুদ বাড়ানোর কাজে লিপ্ত রয়েছে।
এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে সালথা থানার অফিসার ইন-চার্জ একেএম আমিনূল ইসলাম বলেন, সন্ত্রাস ও কাইজ্যা দমনে আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আদেশের প্রতি আদিষ্ট হয়ে জিরো টলারেন্সে কাজ করে যাচ্ছি। উপজেলার সর্বত্র এ ঘোষণা দেবার পরও আমরা আশানুরুপ সাঁড়া পাইনি এখন কাইজ্যার নামে মানুষ খুন, বাড়িঘর ভাংচুর, লুটপাট ইত্যাদিতে সম্পৃক্ততা যাদেরই থাকবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনী বিধান প্রয়োগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স/এষ্

