বগুড়ায় যমুনা নদীর পানি কমলেও সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি ১৯ সেন্টিমিটার কমে বর্তমানে বিপদসীমার ১০২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
পানির প্রবল চাপে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের যে স্থানগুলো ঝুকির মধ্যে ছিল তা বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে।
তবে বন্যাকবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ পানিসহ খাবার সংকট রয়েছে। এখনও অনেক পরিবার পানিবন্দী জীবনযাপন করছে। বন্যাকবলিত তিন উপজেলা সারিয়কান্দি, সোনাতলা ও ধুনট উপজেলার ৯১টি গ্রামে পানি উঠেছে। এতে লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।
অপরদিকে, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের আশ্রয় নেয়া লোকজনের সংখ্যাও বাড়ছে। প্রতিদিনই বন্যাকবলিত এলাকা থেকে লোকজন আশ্রয় নিচ্ছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ওপর। প্রায় তিন হাজার পরিবার বাঁধের ওপর আশ্রয় নিয়েছে। প্রায় দেড় হাজার হেক্টর জমির ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পানি প্রবেশ করায় ৮৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রয়েছে।
স/মা

