সবুজ মাঠের সোনালী স্বপ্ন এখন পানির নিচে
দূর্ভোগের শেষ নেই বাঘারপাড়া কৃষকদের
সাঈদ ইবনে হানিফ:
প্রাকৃতিক দূর্যোগ সহ ফসলের নানা প্রকার রোগ ব্যাধি ও পোকার আক্রমণে এমনিতেই নাজেহাল থাকেন কৃষকমহল। তারপরও মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তাদের আবাদকৃত ফসল উৎপাদন করতে চেষ্টার কোন কমতি থাকে না। ফলে তাদের উৎপাদন খরচ কখনও ওঠে আবার কখনও ওঠে না। এ বছরও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও অনুকূল প্রতিকূল মিলে বৈরী আবহাওয়ায় পড়ে পোকার আক্রমণে ধানের কিছুটা ক্ষতি হলেও মোটামুটি ভাল ফলন পাওয়ার আশায় বুক বেধেছিল চাষীরা। কিন্তু বিধিবাম হঠাৎ শরতের ভারী বৃষ্টিতে মিলান করেছে কৃষকের সেই স্বপ্ন আশা। গত দু দিনের ভারী বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে উপজেলার পাকা ধানের মাঠ। ফলে কৃষকদের মাঝে যে সোনালী স্বপ্ন দোল খেলছিল বাতাসে সেই স্বপ্ন এখন পানির নিচে পঁচনের আশঙ্কায় দিন গুনছে। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা করিম খান জানান, চলতি মৌসুমে নানা প্রতিকূলতার মধ্যে যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার বাসুয়াড়ী ইউনিয়নে ১৪শত ৯০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ করে কৃষকগণ। বৈরী আবাহাওয়ায় পড়ে যার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আবহাওয়া ভাল থাকলে ১০ থেকে ১৫ দিন সময়ের মধ্যে তারা মাঠের ধান কেটে ঘর বাড়িতে তুলতে পারবে। হঠাৎ বৃষ্টি তাদের সেই আশা দূর্ভোগের কারণ হয়ে দাড়াল। ফলে সহজে ঘরে উঠবে না কাঁদা পানিতে নষ্ট হবে বেশির ভাগ ধান। কৃষি কর্মকর্তা বলেন, কোথাও কোথাও পাঁকা ধান পানির নিচে আবার কোথাও বৃষ্টি ও বাতাসের কারণে ধান গাছ হেলে পড়েছে। ফলে ঐ সকল ধানক্ষেত গুলো বেশি পরিমাণ ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে প্রাথমিকভাবে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ নিরুপণ করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে খোঁজ-খবর নেয়া হচ্ছে।
স/মা

