শৈলকুপায় সমবায় সমিতির সেচ্চারিতা দেখার কেউ নেই!
ওয়ালিউল্লাহ, শৈলকুপা প্রতিনিধি:
সমমনা মানুষের স্বেচ্ছাসেবামূলক একটি স্বশাসিত সংগঠন যা নিজেদের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের জন্য কাজ করে এবং এ লক্ষে অংশীদারিত্ব ভিত্তিতে গণতান্ত্রিকভাবে নিয়ন্ত্রিত ব্যবসা পরিচালনা করাকে সমবায় সমিতি বলা হলেও শৈলকুপার সমবায় সমিতি গুলো চলছে সেচ্চারিতামূলক। প্রাথমিক সমিতি রেজিস্ট্রেশনের সময় কমপক্ষে ২০ জন শেয়ার সদস্য থাকার কথা থাকলেও তা খাতা কলমে নাম মাত্র দেখিয়ে রেজিষ্ট্রেশন নেয়া হয়েছে।
হাট ফাজিলপুর বাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ি সমবায় সমিতি লি: এর সভাপতি শাহীন এর নিকট শেয়ার সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি সদউত্তর দিতে না পারায় বেরিয়ে আসে থলের বিড়াল!
অনুসন্ধানে জানা যায়, শৈলকুপাতে প্রায় ২০৪ টি সমিতির মধ্যে বর্তমানে ২ টা কেন্দ্রীয়, ৬০ টা প্রাথমিক সমিতি রয়েছে। সমবায় আইনে প্রতিবছর নির্বাচনের কথা থাকলেও খাতা কলমে দেখানো ছাড়া বাস্তবে কোন নির্বাচন হয় না। অনেকে সমিতির সভাপতি শুরু থেকে আজিবন কাল আর পরিবর্তন হয়নি। বাপদাদার সম্পত্তিতে পরিণত হয়েছে। অনেক সমিতির সভাপতি এলাকাতে কোন দিন না থাকলেও তিনি সমিতির আজীবন সভাপতি!
প্রত্যেক বছর সাধারণ সভা করার কথা থাকলেও বাস্তবে তা রুপ পায় না । শৈলকুপার এম পি মার্কেটে দিপ, শৈলকুপা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ি সমবায় সমিতি সহ অনেক সংগঠনের রেজিষ্ট্রেশন নেয়া হলেও অনেক সমিতির সাইন বোর্ড ও অফিস বাস্তবে কোন টায় নাই। লোক চক্ষুর অন্তরালে চলছে একক বিনিয়োগে চলছে মূলত সূদের ব্যবসা।
এ ছাড়া যাদের কার্যক্রম বর্তমান রয়েছে তারাও চলছে ইচ্ছামত। নাম মাত্র বছরে একবার অডিট করা হয়, আর অডিটের দূর্বলতা ঢাকতে উপঢৌকন দেয়া হয় কর্মকর্তাদের বলে গুনজন রয়েছে। রেজিষ্টার খাতা মেইেন টেন করা হয়ে থাকে ২ টা,১ টা বাস্তব, আর ১ টা অডিটের জন্য, কর ফাকি দেবার জন্য মিথ্যা তথ্য দিয়ে।
শুধু মাত্র সমবায়ী সদস্যদের মধ্যে ঋণ দেবার কথা থাকলেও অনেক জায়গা আইনকে তুচ্ছ জ্ঞান করে নাম মাত্র সদস্য দেখিয়ে দিনের দিনে ঋণ প্রদান করা হয়ে থাকে, নেয়া হয়ে থাকে নিয়ম বহির্ভূূত টাকা।
এ ব্যাপারে সমবায় কর্মকর্তা বাবুল হোসেন বলেন, অনেকের ব্যাপাারে আমার কাছে অভিযোগ আসছে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
স/মা

