এ, কে,এম নুরুল আমিন মাষ্টার, বীর মুক্তিযোদ্ধা
এ.কে আজাদ (জেলা প্রতিনিধি) লক্ষ্মীপুর
জীবনের প্রথম প্রস্তুতিটা খুবই তাড়াহুড়ো বেসামাল রশিকতা। অতঃপর জাতি গড়ার মহান দায়িত্ব নিয়ে শিক্ষকতার পাশাপাশি রাজনীতির অঙ্গনে পদার্পণ। সময়ের টানে রাজনীতিতে নীতির প্রশ্নে নীতিবান আদর্শিক সূর্য সন্তান রূপে পরিচিতি প্রতিষ্টা পায়। আওয়ামী রাজনিতিতে আজ সে মানুষটাই কমলনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সফল সভাপতি ও গত ইউপি নির্বাচনে জনগণের বিপুল সমর্থনে ৩নং চরলরেঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। কথা হয় নীতিতে অটুট থেকে রাজনৈতিক মাঠে দাবরিয়ে বেড়ানো এই সফল মানুষটির সাথে।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর দেখা সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধে নিজেকে সমর্পন করেছিলাম যুদ্ধ পরবর্তী অধ্যবদী পযর্ন্ত স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি বাংলাদেশ আওয়ামী রাজনীতির সাথে নিজের সম্পর্ক রেখেছি অটুটু সেতু বন্ধনে । তিনি আরও বলেন, আমি কমলনগর উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও ৩নং লরেঞ্চ ইউনিয়নের বর্তমান চেয়াম্যান, আমার প্রতি সর্বশ্রেণীর মানুষের চাহিদা রয়েছে। সার্বজনিন গনমানুষের চাহিদা মিঠাতে সর্বদা চেষ্টা করছি। কিন্তু সরকার যে বরাদ্ধ দিচ্ছে তা শুধুমাত্র দলের উচ্চপর্যায়ের নেতার নেতৃত্বে বর্তমান এমপি’র প্রতিনিধির নিজস্ব হস্তক্ষেপে সু-কৌশলে নিজের পছন্দের ব্যাক্তিকে বরাদ্ধ দেয়ার পর কিছু কিছু বরাদ্ধ আমার ইউনিয়নে আসলেও জনগণের চাহিদার তুলনায় একেবারেই অপ্রতুল। তবে কিছু কিছু বরাদ্ধ শুধু মাত্র কাগজ কলমের মধ্যেই সিমাবদ্ধ বলে তিনি অভিমত ব্যাক্ত করেন। সর্বজন স্বীকৃত শিক্ষক হিসেবে তিনি একজন আদর্শ ও মানবতাবাদী মানুষ, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে আজীবন সংগ্রামী, শুধু মাত্র নীতিতে অটল থাকার কারনে আজ নিজ দলীয় কিছু স্বার্থন্বেশী মহলের কঠিন ষরযন্ত্রের যাতাকলে পরে নিজেকে খুবই অসহায় বলে দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছেড়ে ত্যাগী এ নেতা বলেন, এসমস্যা খুব দীর্ঘ নয়, বর্তমান এমপি সাহেব ও দলের বিশিষ্টজনরা যদি তৃনমূল পর্যায়ের নেতাদের প্রতি সু-সম্পর্ক ও আন্তরিক হন তাহলে সংগঠন আরো শক্তিশালি ও বলিষ্ট হবে। তবে এ জন্য সৎ ও ত্যাগী বলিষ্ট নেতৃত্বের প্রয়োজন।
লক্ষ্মীপুর ০৪ আসনের আওয়ামী রাজনীতির কর্নধার মানণীয় এমপির সঠিক তদারকী ও মূল্যায়নে দল খুজে পাবে তার আপন প্রান। তবে কিছু নেতার দুর্বল নেতৃত্বে কমলনগরের আওয়ামী রাজনীতি আজ মহাসংকটে প্রলুদ্ব, সংখুব্ধ, ও প্রশ্নবিদ্ব! দলকে আরও শক্তিশালি করে গড়ে তোলার স্বার্থে ত্যাগী এ নেতা বলেন, সারা বাংলার ইতিহাসকে চমক লাগিয়ে প্রতিনিধি দিয়েই চালাচ্ছেন আওয়ামী রাজনীতির সকল কর্মকান্ড, তবে অনেকটা ঘোলাটে পানিতে মাছ শিকারের কল্পকাহিনীর মতোই দলের সর্বোচ্ছ কর্তা ব্যাক্তিদের ইঙ্গিত পোষন করেন গুনি এই রাজনীতিবীদ। দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার রাজনীতি নিয়ে একটু সজাগ দৃষ্টি দিলেই হয়তোবা ফিরে পেতে পারে আওয়ামী রাজনীতির আমূল পরিবর্তন।
স/মা

