ঢাকাশনিবার , ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

লক্ষ্মীপুরে ফসলি জমি নষ্ট করে অবাধে গড়ে উঠেছে অনুমোদনবিহীন ব্রিকফিল্ড

admin
ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৭ ১২:২৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

এ.কে.আজাদ (লক্ষ¥ীপুর প্রতিনিধী)ঃ লক্ষ্মীপুরের প্রত্যেকটি উপজেলায় ফসলি জমি নষ্ট করে অবাধে গড়ে উঠেছে অনুমোদনবিহিন ব্রিকফিল্ড।এসব ব্রিকফিল্ডে সরকারী নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে কাঠ পুড়িয়ে ইট উৎপাদন করে বিক্রি করছে হরদমে।বাংলা চিমনী সহ কৃষি জমিতে ইট ভাটা স্থাপন নিষেধাজ্ঞা থাকলেও প্রভাবশালী অসাধু ব্যাক্তিবর্গ কোনমতেই তা মানছেনা।প্রশাসনকে বৃদ্বাঙ্গুলি দেখিয়ে একের পর এক গজে উঠছে ব্রিকফিল্ড।অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মুদিখানা পোল সংলগ্ন চর মটুয়া ফরাশগঞ্জ এলাকায় বি.এম.ব্রিকস্,তেওয়ারীগঞ্জে খোরশেদ,হুমায়ুন এবং জাহাঙ্গীর ব্রিকস্।চর ভুতা মহিউদ্দিনের ব্রিকস্,কুতুবপুর আলিহায়দার ব্রিকস্,ধর্মপুর রনি ব্রিকস্।কমলনগর উপজেলায় আরিফ হোসেনের মদিনা ব্রিকস্,হানিফ মেম্বারের ২ নামে দুটি ব্রিকস্,সবুজ মিয়ার ব্রিকস্।রামগতি উপজেলায় খলিল মাঝির ব্রিকস্,চালাক মিয়ার ব্রিকস্,জননী ব্রিকস্,সহীদ কম্পানির ২ নামের দুটি ব্রিকস্, ফয়েজ মিয়ার ব্রিকস্।এ ছাড়াও নাম না জানা আরো অনেক ব্রিকফিল্ড সব কটি উপজেলার মধ্যেই রয়েছে।ঐ সকল ব্রিকফিল্ড একদিকে ফসলি জমি নষ্ট করছে,অন্যদিকে কাঠ পুড়িয়ে পরিবেশ দুষণ করছে।ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রন)আইন ২০১৩ এর ধারা (২)এর উপধারা (ঘ)এর পরিপন্থী।উল্লেখিত আইনের ৬নং ধারায় জা¦লানী কাঠের ব্যবহার নিষিদ্ধ রয়েছে আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন,কোন ব্যাক্তি ইটভাটায় ইটপোড়ানোর কাজে জ্বালানী হিসেবে কোন জ্বালানী কাঠ ব্যবহার করিতে পারিবে না।১৬নং ধারায় রয়েছে যদি কোন ব্যাক্তি ৬নং ধারা লঙ্গন করিয়া ইট ভাটায় ইট পোড়ানোর কাজে জ্বালানী কাঠ ব্যবহার করেন, তাহলে তিনি অনধিক ৩ বছর কারাদন্ড বা ৩ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হইবেন। ৮ এর উপধারা ১এ উল্লেখ্য রয়েছে,আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন,ছাড়পত্র থাকুক বা নাই থাকুক এ আইন কার্যকর হইবার পর নিম্ম বর্নিত এলাকার সিমানার অভ্যন্তরে কোন ব্যাক্তি কোন প্রকার ইটভাটা স্থাপন করিতে পারিবেনা।৮ এর উপধারা ১এর(ঘ)তে উল্লেখ্য রয়েছে, কৃষি জমি পরিবেশগত সংকটাপূর্ন এলাকা।সরেজমিনে গিয়ে কয়েকজন কৃষকের সাথে আলাপ করে জানা যায়,ফসলি জমি নষ্ট করে একের পর এক ব্রিকফিল্ড গজে উঠায় কৃষকেরা চাষাবাদ করতে পারছে না।ইট ভাটার চার পাশের জমিতে ইটের ধুলা-বালি এবং বাংলা চিমনীর কালো ধোয়ায় কৃষি পণ্যগুলোর উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যাক্তিবর্গ জানান,পরিবেশ অধিদপ্তরের কতিপয় অসাধু লোকজন ইট ভাটা থেকে মোটা অংকের অর্থ লুফে নিয়ে ছাড়পত্র বিহীন ঐ সকল ইটভাটা চালাতে সাহায্য করছে।ফলে কোন মতেই পরিবেশ বিপর্যয় থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হচ্ছেনা।সচেতন এলাকাবাসী জানান,যে সকল ইটভাটা আইন অমান্য করে কাঠ পুড়িয়ে পরিবেশ ও জলবায়ুর প্রভাব বিস্তার করে পরিবেশ দূষণ করছে,তাদের নাম তালিকাভুক্ত করে অনতি বিলম্বে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া খুবই জরুরী।এ ব্যাপারে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশুহস্থক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন ও পরিবেশ বান্ধব লক্ষ্মীপুরবাসী।

স/শা