অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নের এক সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের যুবক দুর্ঘটনাবশত একই লটারি দুইবার জিতে রাতারাতি কোটিপতি বনে গেছেন। মঙ্গলবার সকালে ঘুম থেকে উঠে হঠাৎ-ই ওই যুবক দেখেন, তিনি রাতারাতি কোটিপতি হয়ে গেছেন। তাও আবার এক-আধ লাখ নয়, ২০ লাখ ডলারের মালিক বনে গেছেন। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৬ কোটি টাকা।
প্রশ্ন হলো, কী করে এমনটা সম্ভব হলো? কোথা থেকে একরাতের মধ্যে এত ডলার এলো ওই যুবকের পকেটে! পশ্চিম মেলবোর্নের পয়েন্ট কুক নামের ওই যুবকের ভাগ্যটা আসলে খুলে গিয়েছিল ৪ ফেব্রুয়ারি। ওইদিন দুটো নম্বরে লোটো খেলেছিলেন তিনি।
মঙ্গলবার সকালে সেই লোটোর নম্বর প্রকাশ হতেই জানতে পারেন, জয়ী নম্বরগুলোর মধ্যে একটা নম্বর তারও রয়েছে। অর্থাৎ তার পকেটে ঢুকে গেছে ১০ লাখ ডলার।
লটারি জিতে বেশ খুশি ছিলেন। তাই বিছানায় শুয়ে শুয়ে পা দোলাচ্ছিলেন। ঘণ্টা খানেক পর হঠাৎ-ই মনে পড়ে একটা নয়, তিনি তো সেদিন দুটো নম্বর খেলেছিলেন। তাড়াহুড়ো করে বিছানা থেকে উঠে আরো একবার খুঁজে দেখেন জয়ী নম্বরগুলোর তালিকাটা। দেখার পর অবাক হয়ে যান। সেদিন দুইবার খেলেছিলেন বটে, কিন্তু ভুল করে দুইবার একই নম্বর খেলেছিলেন।
যুবকের এই ভুলই তার ভাগ্যোদয়ের কারণ। একই নম্বর দু’বার দেওয়ায় যখন ওই নম্বরটি জয়ী নম্বর হিসেবে নির্বাচিত হয় তখন তিনি ১০ লাখের ডলারের বদলে জিতে নেন ২০ লাখ ডলার।
রাতারাতি এত টাকা জিতে রীতিমতো আকাশ থেকে পড়েছেন যুবক। এ নিয়ে তার বক্তব্য, ‘প্রথমে ভেবেছিলাম। আমি ১০ লাখ ডলার জিতেছি। তারপর বিছানায় শুয়ে পা দোলাচ্ছিলাম। এক ঘণ্টা পর হঠাৎ আর একটা নম্বরের কথা মনে পড়ে। আমি উঠে গিয়ে দেখি এবং অবাক হয়ে যাই। আমি একই নম্বরে দুইবার খেলেছি, তাই জিতেছিও দুইবার। আমি কখনো স্বপ্নেও ভাবিনি এভাবে দুইটি লটারি জিতব।’
টাকা জেতার পর এক মুহূর্তও সময় নষ্ট করেননি পয়েন্ট কুক। কীভাবে ওই খরচ করবেন, করে ফেলেছেন সেই প্ল্যানও। একটি বাড়ি কিনবেন, বাড়ির সামনে দাঁড় করানো থাকবে ফেরারি গাড়ি। বাকি টাকা দিয়ে ঘুরে দেখবেন বিশ্বের সাত আশ্চর্য।
স/শা

