মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি :
আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এ্যাড. শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম মুন্সীগঞ্জ ১ আসনে একক প্রার্থী । এই আসনে জাতীয় পার্টির তার বিকল্প কোন প্রার্থী নেই। ক্লিন ইমেজ ব্যক্তিত্ব¡ এ্যাড.শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম একজন সৎ, নির্ভীক , ন্যায় পরায়ন,সাদা মনের মানুষ এবং তিনি একজন দক্ষ আইনজীবীও। দেশে আইনের শাসন কায়েম, সু-বিচার প্রতিষ্টা , শোষন, দূর্নীতি, সন্ত্রাস, এবং মাদক মুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে তিনি সাধারন জনগনের পাশে থেকে তাদের কল্যানে কাজ করে যেতে চান। ক্লিন ইমেজের অধিকারী এবং দলমত নির্বিশেষে এলাকার লোকজন তাকে ভালবাসে । দীর্ঘদিনে এলাকায় তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা তৈরী হয়েছে। জনপ্রিয়তার কারনে এই জনপ্রিয় ব্যক্তিই পাচ্ছেন আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লাঙ্গল প্রতীকের টিকেট। এমনটাই জানিয়েছেন দলটির তৃনমূল জাপার নেতাকর্মীরা। তবে এ আসনটিতে বর্তমান ক্ষমতাশীন আওয়ামিলীগ এবং বিএনপিও গুরুত্ব দিচ্ছে সঠিক ও যোগ্য প্রার্থীকে মনোনয়ন দিতে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে আ”লীগ, বিএনপি এবং জাতীয় পার্টির মধ্যে ত্রিমুখী এবং প্রতিত্বন্ধীতাপূর্ন লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কোন রাজনৈতিক দল এই আসনে গ্রহনযোগ্য প্রার্থী দিতে ব্যর্থ হলে সে দলটির ভরাডুবি হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লষকরা।
তবে সাধারন ভোটারদের অভিযোগ বিগত দিনে যাদেরকে সাধারন মানুষ ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছিল তারা কতটুকু জনগনের কল্যানে কাজ করেছে । সেই হিসাব নিকাশ করছেন সাধারন ভোটাররা। ভোটাররা মিলাচ্ছেন নির্বাচনে আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি এবং বাস্তবায়নের হিসাবও। বিগত দিনে সাধারন মানুষ শোষন, অত্যাচার, নির্যাতন,জমিহারা এবং হামলা, মামলারও শিকার হয়েছেন অনেকে। ভোটাররা আরো অভিযোগ করে বলেন, যেসকল প্রার্থী নির্বাচনের আগে ভোটাদের দেয়া প্রতিশ্রুতি ভুলে গেছে তাদেরকে ভোটারারা এবার ব্যালটের মাধ্যমে নীরব জবাব দিবেন।এছাড়াও শ্রীনগর এবং সিরাজদিখান উপজেলার প্রত্যান্ত অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা নাজুক। এই দুটি উপজেলার মধ্যে সিরাজদিখান উপজেলার বালুচরে রাস্তাঘাটের বেহাল দশা, প্রত্যান্ত গ্রামে বিদ্যুৎ স্বল্পতা, উন্নত চিকিৎসাবেসা, কালভার্ট, ব্রিজ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পরিপূর্নতা পায়নি। নি¤œাঞ্চলের অধিকাংশ গ্রামগুলোতে। তবে এসব এলাকায় সাধারন মানুষের দাবি কথার ফুলঝুড়ি নয় কাজে বিশ্বাসী এমন কাউকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন। যিনি প্রত্যান্ত গ্রামগুলোতে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগাবেন এবং জনগনকে কাংখিত সেবা প্রদান করবেন। এসব এলাকার একাধিক ভোটার জানান, আমাদের এলাকাটি অবহেলিত উন্নয়নের কোন ছোঁয়া লাগেনি। এখানে হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদের আমলে রাস্তাঘাট ও খাল খনন করা হয়েছে সেগুলোই এখন আমাদের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম । এ আসনে জয়ী হয়ে কোন জাতীয় পার্টির এমপি আসলে আমরা কাংখিত সেবা পাব । এরশাদ সরকার দীর্ঘ ৯ বছরে আমাদের এলাকায় যে উন্নয়ন করেছে বিগত কয়েরবার দুটি দলের মধ্যে বার বার ক্ষমতা পালাবদল হলেও এ এলাকার মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়নি। এমনটাই বলেছেন নি¤œাঞ্চলের সুবিধা বঞ্চিত সাধারন মানুষ।
স্থানীয় শ্রীনগর ও সিরাজদিখান উপজেলা জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের একাধিক সুত্র জানায়, এই দুটি উপজেলায় জাতীয় পার্টির তৃনমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে কোর ধরনের কোন্দল নেই। দল যাকে মনোনয়ন দিবে তার হয়ে কাজ করবেন তৃনমূল নেতাকর্মীরা। এ্যাড.শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে রাজনীতিতে পদার্পণ করেন। তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি ছিলেন । পরবর্তী সময়ে জাতীয় ছাত্র সমাজ প্রতিষ্টা করেন। এছাড়াও ৭০ এর নির্বাচন ও মহান মুক্তিযুদ্ধে স্থানীয় ছাত্রলীগের নেতাদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখেন। এ্যাড. শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ এর প্রধান কৌসুলী । প্রেসিডিয়াম সদস্য জাতীয় পার্টি, আহবায়ক জাতীয় আইনজীবি ফেডারেশন, সাবেক সভাপতি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এবং এডিটর বাংলাদেশ লিগ্যাল ডিসিশনস (বি.এল.ডি) । তিনি আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহন করার লক্ষে শ্রীনগর এবং সিরাজদিখান উপজেলার প্রত্যান্ত অঞ্চলের গ্রামগুলোতে কাজ করে যাচ্ছেন।
এ প্রসঙ্গে মুন্সীগঞ্জ ১ আসনের জাতীয় পার্টির একক প্রার্থী ও প্রেসিডিয়াম সদস্য এ্যাড. শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম দৈনিক বিজয়কে বলেন, আমি জাতীয় পার্টির একক প্রার্থী । আশা করি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ট হবে এবং নির্বাচন সুষ্ট হলে জনগন আমাকে নির্বাচিত করবে ইনসাল্লাহ। #

