ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৯ মার্চ ২০১৮
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

মাদক অস্ত্রসহ ছাত্রলীগ কর্মী আটক॥ ক্যাম্পাসে তান্ডব

admin
মার্চ ২৯, ২০১৮ ২:৩৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ইবি সংবাদদাতা-
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদক ও অস্ত্রসহ ছাত্রলীগের বহিরাগত এক কর্মীকে আটক করেছে প্রশাসন। । মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। প্রতিবাদে শাখা ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা বঙ্গবন্ধুর ম্যূরালে ইটপাটকেল নিক্ষেপ, বিভিন্ন স্থাপনা ও সিসি ক্যামেরা ভাংচুর, ককটেল বিস্ফোরণসহ তান্ডব চালিয়েছে বলে জানা গেছে।
জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা লালন শাহ হলে প্রবেশ করে। এসময় প্রক্টর প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবর রহমান মাদকের তথ্য পেয়ে হলের একটি কক্ষে যায়। সেখান থেকে বহিরাগত দানিয়েল, নাজমুস সাকিব আকাশসহ কয়েকজনকে মাদক ও অস্ত্রসহ আটক করে। দানিয়েল ছাড়া বাকিরা পালিয়ে যায়। এরপর শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি গ্রুপের কর্মীরা প্রক্টরের উপর চড়াও হয়। সন্ধার পর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত তারা প্রক্টরের পদত্যাগের দাবিতে মিছিল করতে থাকে। এসময় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে ইট পাটকেল নিক্ষেপ, বিভিন্ন স্থাপনা ও সিসি ক্যামেরা ভাংচুর, অর্ধশতাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটায়। এসময় ক্যাম্পসে চরম আতঙ্ক বিরাজ করে।

বুধবার বেলা ১১টার দিকে প্রক্টর প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃব্যরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন। এসময় ছাত্র-উপদেষ্টা প্রফেসর ড. রেজওয়ানুল ইসলামসহ প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় প্রক্টর বলেন,‘ গোপন তথ্যের ভিত্তিতে লালন শাহ হলে তল্লাশী চালিয়ে মাদক-অস্ত্রসহ কয়েকজনকে আটক করি। পরে কয়েকজন পালিয়ে যায়। দানিয়েল নামে এক বহিরাগতকে পুলিশে দিই। পরে আটক বহিরাগতকে মুক্তির দাবিতে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে ইট পাটকেল নিক্ষেপ, বিভিন্ন স্থাপনা ও সিসি ক্যামেরা ভাংচুরসহ ব্যাপক তান্ডব চালিয়েছে। দোষীদের সনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।
এদিকে এঘটানর গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে যারা ভাংচুর করে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করেছে তাদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। ক্যাম্পাস মাদক ও অস্ত্র মুক্ত করে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে জোর দাবি জানান তিনি।
এছাড়াও এ ঘটনায় ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবুর রহমানকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে প্রশাসন। এছাড়াও প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি এবং বাংলা বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ সাইদুর রহমানকে সদস্য করা হয়েছে। দোষীদের চিহ্নিত করে যথাশিঘ্রসম্ভাব প্রতিবেদন দেওয়ার নিদের্শ দিয়েছে প্রশাসন।

স/এষ্