মাহাবুব ইসলাম উজ্জ্বল, মাগুরা প্রতিনিধি ॥ মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার চরবড়রিয়া গ্রামে পূর্ববিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে মহিলা ও পুলিশসহ অনন্ত ১৫ জন আহত হয়েছেন। এ সময় ১২ টি বাড়ি ভাংচুর ও লুট-পাটের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে পুলিশ ৩৬ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ১ রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। আহতদের মধ্যে ৪ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার সকালে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, বালিদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ পান্নু মোল্যার সমর্থক পান্নু বিশ^াস ও সাবেক চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান মিনার সমর্থক আব্দুল হালিম মোল্যার গ্রুপের লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় ৫ জন পুলিশ সদস্য ছাড়াও মহলিা পুরুষ মিলিয়ে ১৫ ব্যক্তি আহত হন। তাদের মধ্যে গুরুত্বর চুন্নু (৪০), জহির মোল্যা (৫৫), ইমরুল শিকদার (৩৫) ও ববিতা (৩০) কে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষে সময় আশরাফুল বিশ^াস, পান্নু, মিলন, মনিরুল, বাবুল, সিরাজ ও বাকী মিয়ার ১২ টি বসত ঘরে ভাংচুর ও লুটের ঘটনা ঘটে।
চরবড়রিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাফিজার রহমান বলেন, রবিবার সকাল থেকে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। আতঙ্কে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা স্কুলে পর্যন্ত আসেনি।
মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরীকুল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষই আওয়ামীলীগের। কয়েকদিন ধরেই সেখানে উত্তেজনা চলছিলো। ঘটনার দিন সকাল আটটা থেকে সংঘর্ষ বাধে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পুলিশ সদস্যও ইটপাটকেলের আঘাতে আহত হন। কোন পক্ষ মামলা করেনি। পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আমরা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি। এলাকার পরস্থিতি শান্ত রয়েছে। তবে পূনরায় সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে।
স/এষ্

