ঢাকাশনিবার , ২৭ আগস্ট ২০২২
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

ভালুকায় ব্যাংকের কাছে দায়বদ্ধ পরিত্যাক্ত ডায়নামিক মিলের মালামাল লুপাটের অভিযোগ

চমক নিউজ, ময়মানসিংহ
আগস্ট ২৭, ২০২২ ৮:০৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ভালুকায় ব্যাংকের কাছে দায়বদ্ধ পরিত্যাক্ত ডায়নামিক
মিলের মালামাল লুপাটের অভিযোগ

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ভালুকায় রাতের আঁধারে ডায়নামিক টেক্সটাইল মিলের কোটি কোটি টাকা মূল্যের মালামাল লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। একটি সঙ্ঘবদ্ধ দল কেয়ারটেকারের সাথে যোগসাজশ করে জনতা ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি ব্যাংকের কাছে দায়বদ্ধ এসব মালামাল লুটপাট হচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

সরেজমিন খোঁজ নিয়ে ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত ৯০ দশকে ভালুকা উপজেলার ধামশুর আখালিয়াপাড়ায় প্রথম ডায়নামিক টেক্সটাইল মিলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। মিলটি প্রথমদিকে বেশ ভালো ভাবে পরিচালিত হলেও ব্যাংকের দেনার কারণে তা ২০০৬ইং সালের ২১ জুন মিলটি বন্ধ করে দেন মালিকপক্ষ। দীর্ঘদিন মিলটি শুধু কেয়ারটেকার দিয়ে পাহারা দিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে রাখলেও ২০১৭ সালে মালিক পক্ষ নিয়োগকৃত অসাধূ ব্যাংকের লোকজনের যোগসাজশে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মিলের কোটি কোটি টাকার মেশিনারী সহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ রাতের আঁধারে বিক্রি করতে শুরু করেন।

খবর পেয়ে ২৬ আগস্ট শুক্রবার বিকেলে বেশ কয়েকজন সংবাদকর্মী মিলের ভিতর গেলে দেখা যায়, সিলিন্ডার গ্যাস দিয়ে কিছু লোক লোহার রড ও এ্যাঙ্গেল কেটে একটি গোডাউনে মওজুদ করছে। এর আগেও বেশ কয়েকদিন ধরে রাঁতের আঁধারে এসব মূল্যবান মালামাল কেটে মিলের প্রধান ফটক ব্যবহার না করে পিছনের গেইট দিয়ে পাশের ড্রিমওয়ার্ল্ড পার্কের গেইট দিয়ে বের করে নিয়ে যাচ্ছে।

মিলের ভিতর অবস্থানকারী কেয়ারটেকার দিলদার মিয়া জানান, তিনি মিলটি বন্ধের পর থেকেই কর্মরত আছেন। তবে মিলের সব কিছুই আবুল মুনসুর হায়দার খসরুর হেফজতে রয়েছে এবং সব মালামাল তার মাধ্যমেই বিক্রি করেছেন মালিক পক্ষ।

আবুল মুনসুর হায়দার খসরু সংবাদ পরিবেশন না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, চোরের ভয়ে মালিকের নির্দেশে মালামাল কেটে স্টক করা হচ্ছে। আগে কোটি কোটি টাকার মালামাল বিক্রির বিষয়টি নিয়ে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি। ভালুকা মডেল থানার ওসি কামাল হোসেন জানান, এ ব্যাপারে আমাদের কিছুই করনীয় নেই।

স/বি