ভালুকায় বিদ্যুৎ গ্যাস সঙ্কটে মিল ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভবননা
ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ভালুকায় বিদ্যুৎ লোড শেডিং,গ্যাস সরবরাহ অপ্রতুল ও প্রেসার কম থাকায় শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এভাবে বিদ্যুৎ এবং গ্যাস সঙ্কট থাকলে অনেক মিল মালিকরাা চিন্তা ভাবনা করছেন তাদের মিল বন্ধ করে দেয়ার।
জানা যায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ছোট বড় প্রায় দুই শতাধিক শিল্প কারখানা রয়েছে। যার মাঝে প্রায় ৩০টি ড্রাইং ফ্যাক্টরি রয়েছে। বিদ্যুৎ লোড শেডিং,গ্যাস সরবরাহ অপ্রতুল ও প্রেসার কম থাকায় ড্রাইং মিল গুলোর উৎপাদন প্রায় ৭০ শতাংশ কমে গেছে। প্রতিদিন গড়ে পিডিবি ১২/১৪ ঘন্টা এবং আরইবি ১৬/১৭ ঘন্টা লোড শেডিং দেয়া হচ্ছে। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকে। তাইপে বাংলা আর্টি কম্পোজিট, গেøারি স্পিনিং মিল, লাবিব মিল,কনজিউমারনিটেক্স লিঃ ও শেফার্ড ইয়াং ড্রাইং প্রায় ৩০টি ড্রাইং মিলে দিনের বেলা গ্যাসের লাইন চালু থাকলেও প্রেসার কম থাকায় মেশিন ঠিক মত চালাতে পাচ্ছে না মিল কর্তৃপক্ষ। আগে গ্যাসে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে মিল চালানো হতো। গ্যাসের চাপ কম থাকলে মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ অথবা ডিজেল চালিত জেনারেটারের মাধ্যমে মিল চালানো হতো।
তাইপে বাংলা ফেব্রিক্স লিঃ এর ডিজিএম আশিকুর রহমান জানান,বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ সঙ্কট থাকায় আমাদের ২৭টি মেশিন এর মাঝে ২/১টি করে মেশিন চালু রেখেছি। ফলে সঠিক সময় মাল উৎপাদন করতে পারছিনা ফলে ভায়ারদের সাথে চুক্তি ভঙ্গ হচ্ছে। এ কোম্পানিটি শতভাগ রপ্তানি মুখি। কোম্পানিটি বন্ধ হলে প্রায় ৮শত শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়বে। আমাদের এ মাসে শ্রমিকদের বেতন দেয়া কষ্ট হবে। শেফার্ড গ্রæপের জিএম মোকলেছুর রহমান জানান, এ মিলটি শতভাগ রপ্তানি মুখি। বর্তমান সঙ্কটের জন্য এমিলের উৎপাদন ৭০শতাংশ কমে গেছে। বিদেশি মিল মালিকরা শ্রমিকদের বেতন ভর্তুকি দিয়ে মিল চালাচ্ছেন। এ সমস্যা অব্যাহত থাকলে ছোটখাট অনেক মিল বন্ধ হয়ে যাবে।
তিতাস গ্যাস ডিস্টিভিশন লিঃ ভালুকা আঞ্চলিক কার্যালয়ের ম্যানেজার প্রকৌশলী মুনঞ্জুর আহাম্মেদ জানান, আগে আমাদের মেইন লাইনে পিএস আই ছিল ১২০/১৩০ বর্তমানে আছে ৩০/৪০পিএসআই। যারা মেইন লাইনের কাছে আছেন তারা পিএসআই বেশি পান।
স/বি

