ভারত থেকে রাহুল রাজ
গোটা ভারতের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গেও পালিত হচ্ছে মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা। শনিবার সকাল থেকেই কলকাতার নাখোদা মসজিদ, টিপু সুলতান মসজিদ, পার্ক সার্কাস ময়দানসহ বিভিন্ন মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
কলকাতায় সবচেয়ে বড় জামাতটি হয় রেড রোডে। সকাল ৯ টায় কলকাতার রেড রোডে শুরু হয় ঈদের নামাজ। হাজার হাজার মুসল্লী পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেন।
রাজ্যের বিভিন্ন জেলাতেও এই দিনটি পালিত হচ্ছে। এই উপলক্ষ্যে কোনরকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে।
মুসলমান সম্প্রদায়ের কাছে দিনটি ত্যাগের। স্বভাবতই নমাজ আদায়ের পর মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ যে যার সাধ্য মতো পশু কোরবানি দেন।
ভারতের রাজধানী দিল্লি, কেরালা, উত্তরপ্রদেশ, জম্মু-কাশ্মীর, ত্রিপুরা, অাসামসহ দেশের প্রতিটি রাজ্যেও যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে পালিত হচ্ছে ঈদুল আজহা। এ উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেশটির রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।
কোলকাতার বনগাঁ ঈদগাঁ ময়দানে পালিত হয়েছে ঈদের বিশেষ জামাত। সকাল ১০ টায় ঈদের জামাত শুরু হয়। জামাত শেষে পৌরপিতা শ্রী শঙ্কর আঢ্য সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা ও সবার মাঝে মিষ্টি বিতরণ করেন। ঈদকে কেন্দ্র করে ভারতবর্ষে বিভিন্ন প্রান্তের মত বনগাঁতেও সকলের মাঝে আনন্দ ও উৎসব পালিত হয়েছে। নামাজ পড়া শেষে সকলে একে অপরের সাথে কোলাকুলি করে। এদিকে বাংলাদেশের সিমান্তবর্তী এলাকা হওয়াতে বনগাঁতে ঈদের আমেজ বিষেশ ভাবে দৃষ্টি কাড়ে।
টুইট বার্তায় রাষ্ট্রপতি জানান, ঈদ-উল-আজহায় উপলক্ষ্যে আমার সকল ভারতবাসী বিশেষ করে ভারত ও সারা বিশ্বে বসবাসকারী আমার মুসলিম ভাই ও বোনদের শুভেচ্ছা।
মোদিও টুইট করে জানান, ঈদ-উল-আজহায় সকলকে শুভেচ্ছা। সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও একাত্মতার উদ্দীপনা যেন ফের আমাদের সমাজে উত্থাপিত হতে পারে।
স/এষ্

