১৫ আগস্ট। বাঙালি জাতির জীবনে এক মর্মান্তিক কালো দিবস। পঁচাত্তরের এদিনে প্রকৃতি কেঁদেছিল অঝরধারায়, বাতাস হয়েছিল ভারী। বাংলার আকাশ-বাতাস নিসর্গ প্রকৃতিও অশ্রুসিক্ত হয়েছিল। কী নিষ্ঠুর, কী ভয়াল, কী ভয়ঙ্কর ছিল সেদিন। না, কোনো মেঘ, বৃষ্টি বা ঝড়ে নয়; সেটা ছিল শোকের মাতম। আর এই শোক ছিল সাত কোটি বাঙালি সন্তানের পিতা হারানোর শোক।
কেননা পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের সেদিনে শ্রাবণের অন্তিমঘন মুহূর্তে বৃষ্টি নয়, ঝরেছিল রক্ত। মিলেমিশে একাকার হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর রক্ত আর শ্রাবণের আকাশের মর্মছেঁড়া অশ্রুর প্লাবনে। ৫৬ হাজার বর্গমাইলের মতো বিশাল জাতির জনকের বুক থেকে সিথির সিঁদুরের মতো লাল রক্ত ঝরেয়েছিল ঘাতকের বুলেট।
পঁচাত্তরের সেদিন সুবেহ সাদিকের সময় যখন ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে নিজ বাসভবনে সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে বুলেটের বৃষ্টিতে ঘাতকরা ঝাঁঝরা করে দিয়েছিল, তখন যে বৃষ্টি ঝরছিল, তা যেন ছিল আকাশেরই অশ্রুপাত। আকাশ-বাতাশ কেঁদেছিল সমগ্র বাংলায়। বাংলার প্রতিটি ঘর থেকে এসেছিল চাপা দীর্ঘশ্বাস আর কান্নার গোঙানি। ঘাতকদের উদ্যত সঙ্গিনের সামনে ভীতসন্ত্রস্ত বাংলাদেশ বিহ্বল হয়ে পড়েছিল শোকে আর অভাবিত ঘটনার আকস্মিকতায়। অনির্বাণ সেই শোক এখনও বাংলায় নদীর স্রোতের মতো চির বহমান।
আজ সেই ভয়াল-বীভৎস ১৫ আগস্ট। যেদিন স্ত্রী শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, তিন পুত্র শেখ কামাল, শেখ জামাল ও ১০ বছরের শিশুপুত্র শেখ রাসেল, দুই পুত্রবধূ ও এক সহোদর আত্মীয়-পরিজনসহ নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হন স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
৫৬ হাজার বর্গমাইল জনপদের ধূলিকণা আজও ভুলতে পারেনি সেই শোক। ভুলতে পারবে না, কেননা ভোলা যায় না স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে অশ্রুভেজা, কলঙ্কময় সেদিনে কথা। কাল থেকে কালান্তরে জ্বলবে সেই শোকের আগুন।
ধানমন্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বর বাসভবনে সপরিবারে বঙ্গবন্ধু নিহত হলেও সেদিন আল্লাহর অসীম কৃপায় দেশে না থাকায় প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এবং কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা। সে সময় স্বামী ড. ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে জার্মানিতে সন্তানসহ অবস্থান করছিলেন শেখ হাসিনা। শেখ রেহানাও ছিলেন বড় বোনের সঙ্গে।
একাত্তরে গণহত্যা করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আর পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট মধ্যরাতে গণহত্যা চালায় পাক হানাদারদেরই এদেশীয় দোসর-সমর্থক কিছু বিশ্বাসঘাতক। মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনায় আস্থাহীন দেশীয় কিছু রাজনীতিকের পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে বঙ্গবন্ধু নৃশংসভাবে শহিদ হন সেদিন।
বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে তারা মূলত চেয়েছিল বাংলাদেশকেই হত্যা করতে। পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে ফেলতে চেয়েছিল সদ্য স্বাধীন এই দেশটিকে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে। কিন্তু চাইলেই কি সহজেই মোছা যায় জাতির জনকের নাম আর তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলাকে।
বঙ্গবন্ধুকে দৈহিকভাবে হত্যা করা হলেও তার মৃত্যু নেই। তিনি চিরঞ্জীব। কেননা একটি জাতিরাষ্ট্রের স্বপ্নদ্রষ্টা এবং স্থপতি তিনিই। যতদিন এ রাষ্ট্র থাকবে, যতদিন পৃথিবীতে মানুষ থাকবে, সভ্যতা থাকবে ততদিন অমর তিনি। সমগ্র জাতিকে তিনি বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রেরণায় প্রস্তুত করেছিলেন ঔপনিবেশিক শাসক-শোষক পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে। তাই চিরঞ্জীব তিনি এ জাতির চেতনায়।
তাইতো কবি বলেছেন, ‘যতদিন রবে পদ্মা মেঘনা গৌরী যমুনা বহমান/ যতদিন রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান।
বঙ্গবন্ধু কেবল একজন ব্যক্তি নন, এক মহান আদর্শের নাম। যে আদর্শে উজ্জীবিত হয়েছিল গোটা দেশ। বাঙালি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র আর ধর্মনিরপেক্ষ দর্শনে দেশের সংবিধানও প্রণয়ন করেছিলেন স্বাধীনতার স্থপতি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। শোষক আর শোষিতে বিভক্ত সেদিনের বিশ্ববাস্তবতায় বঙ্গবন্ধু ছিলেন শোষিতের পক্ষে।
১৫ আগস্টকে ফিরে দেখতে চাইলেই মানসচক্ষে ভেসে উঠে বাঙালির স্বাধীনতার অন্যতম তীর্থস্থান ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িটি। যেখানে সে রাতে আগামী দিনের কর্মসূচি দেখে ক্লান্ত বঙ্গবন্ধু ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎই একদল বিপথগামী সেনা ট্যাঙ্ক দিয়ে ঘিরে ফেলে ভবনটি। একে একে হত্যা করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য নিবেদিত প্রাণ এক পরিবারের সদস্যদের। সুবহে সাদেকের সময় পবিত্র আজানের ধ্বনিকে বিদীর্ণ করে ঘাতকদের মেশিনগানের ঝাঁক ঝাঁক গুলি। বাড়ির সিঁড়িতে অযত্ন-অবহেলায় পড়েছিল জাতির জনকের রক্তাক্ত মৃতদেহ। আর অন্যত্র ছড়ানো-ছিটানো ছিল বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, জ্যেষ্ঠপুত্র শেখ কামাল, তার স্ত্রী সুলতানা কামাল, অপর পুত্র শেখ জামাল ও তার স্ত্রী রোজি জামাল এবং কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলসহ অনেকের লাশ।
পাকিস্তানি শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ২৪ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ঐতিহাসিক ভাষণে স্বাধীনতার যে ডাক দিয়েছিলেন তা অবিস্মরণীয়। সেদিন তাঁর বজ্রকণ্ঠে উচ্চারিত ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম/এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ এই অমর আহ্বানেই স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল নিপীড়িত কোটি বাঙালি। সেই মন্ত্রপূত ঘোষণায় বাঙালি হয়ে উঠেছিল লড়াকু এক বীরের জাতি।
বঙ্গবন্ধুর নৃশংসতম হত্যাকাণ্ড বাঙালি জাতির জন্য করুণ বিয়োগগাঁথা হলেও ভয়ঙ্কর ওই হত্যাকাণ্ডে খুনিদের শাস্তি নিশ্চিত না করে বরং দীর্ঘ সময় ধরে তাদের আড়াল করার অপচেষ্টা হয়েছে। এমনকি খুনিরা পুরস্কৃতও হয়েছে নানাভাবে। হত্যার বিচার ঠেকাতে কুখ্যাত ‘ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ’ জারি করেছিল বঙ্গবন্ধুর খুনি খন্দকার মোশতাক সরকার। তবে দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসীন হলে ‘ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ’ বাতিল করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের পথ উন্মুক্ত এবং নানা বাধাবিপত্তি পেরিয়ে বিচার সম্পন্ন হয়। জোট শাসনের পাঁচ বছর এই রায় কার্যকরের পথে বাধা সৃষ্টি করে রাখা হলেও মহাজোট সরকার গঠনের পর ২০০৯ সালে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের পাঁচজনের রায় কার্যকর হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত কয়েক খুনি এখনো বিভিন্ন দেশে পালিয়ে রয়েছেন। বর্তমানে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি :
জাতির সবচেয়ে হদয়বিদারক ও মর্মস্পর্শী শোকের দিন ১৫ আগস্ট প্রতিবছর আসে বাঙালির হৃদয়ে শোক আর কষ্টের দীর্ঘশ্বাস হয়ে। বাঙালি জাতি আজ গভীর শোক ও শ্রদ্ধায় তার শ্রেষ্ঠ সন্তানকে স্মরণ করবে। রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যে আজ পালিত হবে জাতির পিতার শাহাদাতবার্ষিকী। দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ প্রমুখ।
জাতির এই শোকের দিন উপলক্ষে মঙ্গলবার সারাদেশে সাধারণ ছুটি থাকবে। সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি ভবনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।
এ উপলক্ষে বেতার ও টেলিভিশনে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার এবং সংবাদপত্রগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করেছে। এছাড়াও জেলা ও উপজেলা প্রশাসনসহ সারাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের ওপর আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, কবিতা পাঠ, রচনা, চিত্রাঙ্কন, হামদ ও নাত প্রতিযোগিতা, স্বেচ্ছায় রক্তদানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে।
দিবসটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসহ অন্যান্য রাজনৈতিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক সংগঠন বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর পরিবারে নিহত সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে মাসব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
মঙ্গলবার সূর্য উষালগ্নে বঙ্গবন্ধু ভবন এবং কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সংগঠনের সকল স্তরের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিত ও কালো পতাকা উত্তোলিত হবে। সকাল সাড়ে ৬টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্মৃতি-বিজড়িত ধানমন্ডিস্থ বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হবে।
এ সময় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এছাড়াও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন এবং ঢাকা নগরীর প্রতিটি শাখা থেকে শোক মিছিলসহ বঙ্গবন্ধু ভবনে শ্রদ্ধা নিবেদন করবে।
সকাল সাড়ে ৭টা বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টের শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, মাজার জিয়ারত, ফাতেহা পাঠ, মোনাজাত ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হবে। সকাল ১০টায় রয়েছে গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল।
টুঙ্গিপাড়ায় চিরনিদ্রায় শায়িত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধে আয়োজিত সকল কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন। বাদ জোহর দেশের সকল মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল।
এছাড়াও মন্দির, প্যাগোডা, গির্জা, উপাসনালয়ে দেশব্যাপী বিশেষ প্রার্থনা কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ৯টায় ওয়াইএমসিএ চ্যাপেল, ১৯ সেনপাড়া, পর্বতা, মিরপুর-১০-এ খ্রিস্টান সম্প্রদায়, সকাল ১০টায় রাজধানীর মেরুল বাড্ডাস্থ আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে বৌদ্ধ সম্প্রদায় এবং সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে হিন্দু সম্প্রদায় প্রার্থনা সভার আয়োজন করেছে।
দুপুরে অস্বচ্ছল, এতিম ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে খাদ্য বিতরণ। বাদ আছর মহিলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল। এছাড়াও আওয়ামী লীগের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ১৬ আগস্ট বিকেল ৪টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভা।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অংশ নেবেন জাতীয় নেতৃবৃন্দ ও বরেণ্য বুদ্ধিজীবীগণ।
দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদাত বার্ষিকী, জাতীয় শোক দিবস যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে দেশবাসীকে সাথে নিয়ে পালন করার জন্য আওয়ামী লীগ, সহযোগী, ভ্রাতৃপ্রতিম, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সংস্থাসমূহের সকল স্তরের নেতা-কর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
একই সঙ্গে সব জেলা, মহানগর, উপজেলা, পৌর, ইউনিয়ন, ওয়ার্ডসহ আওয়ামী লীগের সব শাখার নেতাদেরকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কর্মসূচি গ্রহণ করে দিবসটি স্মরণ ও পালন করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।
স/এষ্

