বাঘারপাড়া প্রতিনিধি : বাঘারপাড়ায় কথিত বন্দুক যুদ্ধ নিয়ে পুলিশ ও স্থানীয়দের পরস্পর বিরোধি বক্তব্য পাওয়া গেছে। পুলিশ বলছে দুই দল সন্ত্রাসীর বন্দুক যুদ্ধের সময় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুইজন সন্ত্রসীকে আটক করা হয়েছে। আর স্থানীয়দের বক্তব্য হচ্ছে, মোবাইল টাওয়ারের যন্ত্রাংশ চুরির সময় আটক দুই চোরকে পুলিশই গুলি করেছে। ঘটনাটি রবিবার রাত তিনটায় বাঘারপাড়ার মাহমুদপুর গ্রামে সংঘটিত হয়েছে। স্থানীয়সূত্রে জানাগেছে, গত রবিবার রাত দেড়টায় মাহমুদপুর গ্রামে অবস্থিত গ্রামীনফোনের টাওয়ারের যন্ত্রাংশ চুরির জন্য কয়েক ব্যাক্তি টাওয়ার নিয়ন্ত্রন রুমে প্রবেশ করে। এ সময় মোবইল কোম্পানির ঢাকা অফিস থেকে টাওয়ার পার্শ্ববর্তী গোলাম রহমান মোল্যার ছেলে ওহিদুর রহমানকে ফোন করে জানান টাওয়ারের রুমে চোর ঢুকেছে। এরপর ওহিদুর প্রতিবেশিদের সহযোগিতায় চোরদের ধাওয়া করে দুইজনকে আটক করে। আটক দুই ব্যক্তি হচ্ছে পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার বানিআলি গ্রামের কুদ্দুস সরোয়ারের ছেলে শহিদুল ইসলাম (৩০) ও একই এলাকার কেরামত শেখের ছেলে পাভেল শেখ (২৩)। বাকিরা পিকআপ ভ্যান নিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর বাঘারপাড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আটক দুইজনকে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনার সত্যতাও স্বীকার করেছে ওহিদুর রহমান।তবে বাঘারপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মতিয়ার রহমান বলেছেন ভিন্ন কথা। তিনি জানিয়েছেন, উল্লেখিত সময়ে দুইদল সন্ত্রাসী মাহমুদপুর গ্রামের একটি আম বাগানে বন্দুক যুদ্ধ শুরু করে। এ খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায়। পুলিশের উপস্থিতি টেরপেয়ে সন্ত্রসীরা পালিয়ে যায়। এসময় আমবাগান থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুইজনকে আটক করা হয়। একই সাথে ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশি তৈরী পাইপগান ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। আটক দুইজনকে চিকিৎসার জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছিল। তবে একটি সূত্র জানিয়েছে, আহত পাভেলের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ এলাকার নিরীহদের ফাঁসানোর বিভন্ন কৌশল অবলম্বন করছে বলেও উল্লেখিত সুত্র দাবি করেছে।
স/এষ্

