ঢাকাসোমবার , ৩০ এপ্রিল ২০১৮
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

বাঘারপাড়ায় আশ্রায়ন প্রকল্প-২ এর গৃহ নির্মনে ব্যাপক অনিয়ম

admin
এপ্রিল ৩০, ২০১৮ ১:০২ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার, বাঘারপাড়া : বাঘারপাড়ায় আশ্রয়ন -২ প্রকল্পের গৃহ নির্মানে ব্যাপক অনিয়মের সংবাদ ফাঁস হওয়ায়র পর নির্বাহী অফিসার শাহনাজ বেগম ঘর গ্রহীতাদের ব্যাক্তিগত ব্যায় হওয়া টাকা ফেরতের আশ্বাস দিলেও মাত্র একজনের টাকা ফেরত দিয়েছে । এছাড়া অন্য সবাই এখনও তাদের ব্যয়িত টাকা ফেরত পায়নি । এদিকে নিবার্হী অফিসারের বদলি হওয়ায় উপকারভোগীরা তাদের ব্যয়িত টাকা পাওয়া নিয়ে শংকিত ।

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে প্ররিচালিত আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের জমি আছে ঘর নেই তার নিজ জমিতে ঘর নির্মান প্রকল্পের আওতায় বাঘারপাড়ায় ছয়টি ইউনিয়নে ১শত ৩২ টি পরিবারকে এ ঘর দেওয়া হয়েছে । ১কোটি ৩২লক্ষ টাকা ব্যায়ে চলতি বছরের ফেব্রূয়ারি মাসে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। শুরুতেই অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। নির্মানকাজে নি¤œমানের মালামাল ব্যবহারসহ উপকারভোগীদের কাছ থেকে নেওয়া ৩ থেকে ১০ হাজার টাকা মূল্যের বিভিন্ন উপকরন। উল্লেখ্য এ প্রকল্পের কাজে সুবিধাভোগীদেও নিকট হতে কোন প্রকার অর্থ গ্রহনের নিয়ম নেই। এসব অনিয়মের সংবাদ’ যশোর থেকে প্রকাশিত প্রায় সকল পত্রিকায়,ঢাকা থেকে প্রকাশিত বেশ কয়েকটি পত্রিকায়,অনেকগুলো অনলাইন পত্রিকায় ও কয়েকটি টিভি চ্যানেলে প্রকাশিত হয় । এরপর নির্বাহী অফিসার তার অনিয়ম ঢাকতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেন।

একপর্যায়ে নিজের দুর্নীতির তদন্ত করতে নিজেই চার সদস্যের কমিটি গঠন করেন। কমিটিতে সহকারি কমিশনার (ভূমি) কে আহবায়ক করা হয়। বাকি তিন সদস্য হচ্ছেন উপজেলা প্রকৌশলী, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। জানাগেছে, তদন্তকালে কোন চেয়ারম্যানকেই সাথে নেওয়া হয়নি। তদন্তকালে কমিটি মাঠ পর্যায়ে অনেক অনিয়মের অভিযোগ পান। অথচ কয়েকটি ঘরের টিন বদল ছাড়া আর কোন পরিবর্তন হয়নি। তদন্ত প্রতিবেদনে গণমাধ্যেমে প্রচার হওয়া সংবাদ ভিত্তিহীন উল্লেখ করে সব অনিয়ম ধামাচাপা দেন তদন্ত কমিটি।

তবে নির্বাহী অফিসার শাহনাজ বেগম একজনের টাকা ফেরত দিয়েছেন। অনুসন্ধানে জানাগেছে, রায়পুর ইউনিয়নের সদুল্ল্যাহপুর গ্রামের উপকারভোগী ছিয়ারুন নেছার স্বামী অন্ধ ভিক্ষুক বাবর আলীর হাতে নির্বাহী অফিসার শাহনাজ বেগম গত ১ এপ্রিল সাত হাজার টাকা ফেরত দিয়েছেন। অথচ এ গ্রামের ভিক্ষুক নবিরন নেছা ও মনোয়ারা খাতুনের ব্যায় হওয়া টাকা ফেরত দেননি। এ দুজনই টাকা ফেরত চাওয়ার আকুতি জানিয়েছেন এ প্রতিবেদকের কাছে। এ বিষয়ে অন্ধ ভিক্ষুক বাবর আলী জানিয়েছেন, তার খরচ হওয়া সাত হাজার টাকা ফেরত পেয়েছেন। বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিদের দেওয়া তথ্য থেকে জানাগেছে, শালবরাট গ্রামের পুস্প রাণী দেবনাথ, শিখা রাণী দেবনাথ, পাকুড়িয়া গ্রামের ছবিরণ নেছা (উজালী), আজমপুর গ্রামের জামির হোসেন, রামকৃষ্ণপুরের শরিফুল ইসলাম, অন্তরামপুর গ্রামের মাকসুদা খাতুনসহ কমপক্ষে ৮০জন উপকারভোগীর কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে ৩ থেকে ১০ হাজার টাকার উপকরণ।

তবে সম্প্রতি শালবরাট গ্রামের পুস্প রাণী দেবনাথ ১৮ এপ্রিল ও শিখা রাণী দেবনাথ ২২ এপ্রিল তাদের ব্যায় হওয়া টাকা ফেরত চেয়ে নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত আবেদন করেছেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহনাজ বেগম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, আমার কাছে তেমন কোন অভিযোগ নেই একজন অভিযোগ দিয়েছে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে ।
কিন্তু ঘর গ্রহীতারা প্রায় সকলেই তাদে নিকট হতে নানা অজুহাতে গৃহ নির্মানের বিভিন্ন সরঞ্জাম ক্রয় করিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাদেও সে অর্থ ফেরৎ দিতে চাওয়ার পরও টাকা ফেরৎ না পাওয়ায় তারা সংক্ষুব্ধ।

স/এষ্