ঢাকাশুক্রবার , ১৮ আগস্ট ২০১৭
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

বাঘারপাড়ার চিত্রাপাড়ের মানুষের স্বপ্ন পূরণ

admin
আগস্ট ১৮, ২০১৭ ১১:১৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

নারকেলবাড়িয়া-শালিখা সংযোগের জন্য ব্রীজ নির্মাণ

সাঈদ ইবনে হানিফ॥ যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার নারকেলবাড়িয়া ও মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি কারী চিত্রা নদী প্রবাহিত হওয়ায় দুই পাড়ের অগণিত মানুষ দীর্ঘ বছর ধরে পারাপারের সীমাহীন দূর্ভোগ স্বীকার করে আসছিল। সহজ যোগাযোগের ব্যবস্থা না থাকায় দুই পাড়ের মানুষের মাঝে আজও ভ্রাতৃত্ববোধ তৈরী হয়নি। ফলে ঐতিহ্যবাহী নারকেলবাড়িয়া বাজার ফিরে পাচ্ছে না তার প্রাণ। এমন নানা অভিযোগ সহ দুই পাড়ের মানুষের দীর্ঘ দিনের দাবী ছিল তাদের নিত্যদিনের যাতায়াতের সুবিধার্তে নারকেলবাড়িয়া বাজারের সংযোগের স্থলে চিত্রা নদীর উপর একটি ব্রীজ নির্মান করা হোক। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে তাদের সেই দাবী বাস্তবে রুপ নিল।
নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)’র আওতায় ৯০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৫.৫ মিটার প্রস্থ নারকেলবাড়িয়া ও শালিখা সংযোগের জন্য চিত্র নদীর উপর এডিবি এর অর্থায়নে ৬ কোটি ৪২ লক্ষ ৪৫ হাজার ৬৮৯ টাকা চুক্তি মূল্য ইতোমধ্যে মেসার্স কামারজানি ট্রেডার্স নামে ফরিদপুরের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নির্মান কার্যক্রম শুরু করেন। চুক্তি অনুযায়ী ২০১৬ সালের মধ্যে ব্রীজের নির্মান কাজ সমাপ্ত করা হয়। এ নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ফজলুর রহমান জানান, কোন প্রকার প্রতিকূল পরিবেশে না থাকায় নির্দিষ্ট মেয়াদেই ব্রীজের কার্যক্রম শেষ করা হয়েছে। চিত্রা পাড়ের বসবাসকারী জব্বার মিয়া, আবুল হোসেন, কহিনুর বেগম, সোনা মিয়া সহ অনেকেই জানান, ব্রীজের অভাবে তাদের দীর্ঘ দিনের পারাপারের দূর্ভোগের কাহিনী। কালের আবর্তে তাদের সেই দূর্ভোগ লাঘব হতে যাচ্ছে। নদীর উপর ব্রীজ নির্মান হয়েছে দেখে দুই পাড়ের হাজারও মানুষ আনন্দে আতœহারা। এ বিষয়ে দৈনিক সত্যপাঠ প্রতিবেদক সাঈদ ইবনে হানিফের কথা হয় স্থানীয় নারকেল বাড়িয়া বাজারের ডাক্তার তকি আলী, ডাক্তার মামুনুর রশিদ, ডাক্তার হারুন অর রশিদ সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে। তাঁরা জানান শুধু নিরাপদ যাতায়াতের অভাবে দু’ পাড়ের মানুষ আধুনিকতার অনেক দিক থেকেই বঞ্চিত ছিল। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সাংস্কৃতির দিক থেকেও ছিল পিছিয়ে। শুধু তাই নয়, সুষ্ঠু যোগাযোগ বা যাতায়াতের ব্যবস্থা না থাকায় দু’ পাড়ের মানুষ একে অন্যের সাথে আত্মীয়তা করতেও অস্বীকৃতি জানাতো। ব্রীজটি নির্মানের ফলে দু’ পাড়ের হাজারও মানুষ তাদের ব্যক্তি অধিকার প্রতিষ্ঠার সুযোগ পাবে। সুযোগ পাবে আধুনিক সভ্যতার মাঝে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলোর নিজেকে প্রকাশ করার মত চেতনার।

স/এষ্