সাঈদ ইবনে হানিফ : যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার বাসুয়াড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীগের এক সময়ের অন্যতম নেতা আব্দুল ওহাব মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি চাই। যদিও সে এখন শারীরিক প্রতিবন্ধি অবস্থায় জীবন যাপন করছেন। তার নিজ গ্রাম বাগডাঙ্গার পার্শ্ববর্তী ঘোষনগর বাজারে সম্প্রতি এই আওয়ামীলীগ নেতার কথা হয় দৈনিক সত্যপাঠ প্রতিবেদক সাঈদ ইবনে হানিফের সাথে। তিনি জানান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় অনেক প্রতিকূল অবস্থার মধ্যদিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে কাজ করেছি। পাকিস্তানী সেনা ও তাদের দোষরদের অবস্থান মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে জানাতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিপদের সম্মুখীন হয়েছি। একান্ত আলাপ কালে তিনি আরও বলেন, দেশ স্বাধীনের পর জাতীর জনকের আদর্শ ধারণ করে নিজেকে আত্মনিয়োগ করেন গ্রামীন রাজনীতিতে। দীর্ঘ চেষ্টার ফলে বাগডাঙ্গা ঘোষনগর বাজার এলাকায় গড়ে তোলেন আওয়ামীলীগের সংগঠণ। দেশ ও দলের ক্লান্তি লগ্নে প্রত্যন্ত এই গ্রাম অঞ্চল থেকে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কথা বলেছেন বলিষ্ঠ কণ্ঠে। নিজের অর্থ ব্যয় করে বিভিন্ন সময়ে জাতীয় দিবস ও জাতীর জনকের জন্ম ও মৃত্যু দিবস পালন করেছেন। তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলে আজ অত্র এলাকাতে আওয়ামীলীগ ভাল অবস্থানে থাকলেও ভাল নেই দলের জন্য দিন রাত পরিশ্রমী এই আওয়ামীলীগ নেতা। কারণ তিনি বিগত বেশ কয়েক বছর যাবৎ শারীরিক প্রতিবন্ধি হয়ে দিনযাপন করছেন। তিনি আক্ষেপ করে বলেন আমি এখন প্রতিবন্ধি কিন্তু দলের সু-সময় আসলেও কেউ আমার খোঁজ খবর রাখে না। তবুও তিনি সাহস হারাননি। দেশ ও দলের প্রতি তার আগেও যে রকম শ্রদ্ধা ও ভালবাসা ছিলো এখনো তা আছে। এজন্য সে নিজের তৈরী ভ্যান গাড়িতে চড়ে সেই আগের মতই নেতা কর্মীদের খোঁজ খবর নিয়ে চলেছেন এবং বিভিন্ন সভা সেমিনারেও উপস্থিত হন যথা সময়ে। তার ভ্যান গাড়ির সামনে জাতীয় পতাকা উড়তে দেখে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন বাঙ্গালী হিসাবে দেশকে সবচেয়ে বেশি ভালবাসি আর মৃত্যুর কোন গ্যারান্টি নেই। আমি সত্যিকারের দেশ প্রেমিক হিসাবে মরতে চাই। এজন্য পতাকা সঙ্গে নিয়ে ঘুরি। আপনি মুক্তিযোদ্ধা কি না জানতে চাইলে আঃ ওহাব বলেন দাবী জানিয়েছি কিন্তু পায়নি। তার বিশ্বাস দেরীতে হলেও সরকার একদিন তাকে সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে স্বীকৃতি দেবেন।
স/এষ্

