বসুন্দিয়ার ভৈরব সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষনার ৫ বছরেও নির্মান কাজের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি
জহির রায়হান বিপ্লব বসুন্দিয়া (যশোর) প্রতিনিধিঃ
যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া বাজার ভৈরব নদের উপর ৯০ দশকে নির্মিত জন গুরুত্বপূর্ণ সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষনা করা হয়েছে ৫ (পাঁচ) বছর আগে। প্রতিদিন মারাতœক ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে পথচারীসহ বিভিন্ন পন্যবাহী যানবহন। কর্তৃপক্ষের অবহেলা আর উদাসীনতার ফলে সেতুটি এখন মরণফাঁদে পরিনত হয়েছে। দীর্ঘদিন অতিবাহিত হওয়ায় সেতুটি বেশিরভাগ অংশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ফলে ছোট ছোট যানবাহনে চলাচল ও সেতুটি রয়েছে ঝুঁকির মধ্যে। যেকোন সময় ভেঙ্গে পড়ে বড় ধরনের দূঘটনা ঘটতে পারে বলে আশাঙ্খা করছেন এলাকাবাসী। এই এলাকার কালের সাক্ষী সেতুটি সংস্কার বা নতুনভাবে নির্মান করার উদ্যোগ নেওয়া হোক এটাই এলাকাবাসীর দাবী। গত নভেম্বর মাস থেকে স্থানীয় মটর শ্রমিকের কর্মর্কতারা সকাল থেকে গভির রাত পর্যন্ত বাসের যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে যানবাহন পারাপার করছে। সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পুরাতন বসুন্দিয়ার হাটের সাথে বাঘারপাড়া ও নড়াইল সদরের যোগাযোগ ভৈরব নদীর উপর অবস্থিত এই সেতুটি। ২০১০ সালের দিকে সেতুটিতে ফাটল দেখা দেয় তারপর থেকেই বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হলে কর্তৃপক্ষ ২০১২ সালে প্রাথমিক ভাবে মেরামত করেন এবং ঝুঁকিপূর্ণ বলে সেতুর দু’পাশে সাইন বোর্ড লাগিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল নিষেধ করা হয়। অথচ ২/৩ মাস পর সাইনবোর্ড উধাও হয়ে যায় চলে ভারী যানবাহন। আগে তেমন যানবাহন না চলেলও বর্তমানে খুলনা, বসুন্দিয়া, কালনা রুটের যানবাহনের প্রচুর চাপ হওয়াতে প্রায় সময় যানজটের সৃষ্টি হয়। এর কারন সেতুটি সরু একটি গাড়ি চলতে পারে যারফলে লম্বা লাইন পড়ে যায় যানবাহনের। এ ছাড়া সপ্তাহে বসুন্দিয়া হাট বসে দুই দিন। হাটবারে বাজার পার হতে ১ দেড় ঘন্টা লেগে যায়। শীত মৌসুমে সরকারি বেসরকারি পর্যাটক নিরিবিলি স্বপ্নপুরীতে ও এ সেতু দিয়ে ব্যাপক যানবাহন চলাচল করে। সেতুটির একাধিক স্থানে ফাটল দেখা যাচ্ছে। পাটাতনের নিচের অংশে কিছু কিছু স্থানে কংক্রিট খসে পড়েছ। যে কোন সময় পাটাতন ডেবে যেয়ে ভেঙ্গে পড়ার আশংকা রয়েছে। স্থানীয় জনসাধারন ও ব্যবসায়ীরা জানান ইতিমধ্যে প্রচারনার মাধ্যমে ভারী যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। তারপরও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে ভারি যানবাহন। এলাকাবাসীর দাবি ঝুঁকিপূর্ণ সতুটি দ্রুত নির্মানের জন্য কার্যকরী পক্ষক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।
স/মা

