ঢাকামঙ্গলবার , ৩ এপ্রিল ২০১৮
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

বরিশালের বেলতলা ফেরীতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়

admin
এপ্রিল ৩, ২০১৮ ৬:২৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ভোগান্তিতে জনগন

রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

শামীম আহমেদ, বরিশাল ॥ নগরীর বেলতলা ফেরী পারাপারে প্রতিটি যানবাহন থেকে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে ১০ থেকে ১২ গুন বেশি ভাড়া আদায় করা হলেও সরকারী ফান্ডে যাচ্ছে নির্ধারিত ভাড়ার টাকা। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হলেও কোন যানবাহনকে দেয়া হয়না টাকা আদায়ের রশিদ।
অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট কতিপয় কর্মকর্তার যোগসাজসে ফেরীর স্টাফরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে ভাগবাটোয়ারা করে নিচ্ছেন। ফলে বিষয়টি জেনেও না জানার ভান করছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। একাধিক যানবাহনের চালকরা জানান, বেলতলা ফেরীতে গাড়ি পারাপার করতে হলে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে তাদের কয়েকগুন বেশি ভাড়া গুনতে হয়। ফেরীর স্টাফদের দাবিকৃত ভাড়ার টাকা না দিলে তারা ফেরী ছাড়েনা। টাকা আদায়ের রশিদ চাইতে গেলে চালকদের নাজেহাল হতে হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, চরমোনাইর ফাগুনের বাৎসরিক মাহফিলের আগেই বেলতলা ফেরীঘাটের ইজারা বাতিল করে সড়ক ও জনপন বিভাগ। ফলে মাহফিল উপলক্ষে সাতদিনে ফেরীঘাটে প্রায় ১০ লাখ টাকা আদায় করা হলেও সরকারীখাতে জমা হয়েছে মাত্র ৬০ হাজার টাকা। বাকি টাকা আত্মসাত করেছেন ফেরী সংশ্লিষ্টরা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়ক ও জনপদ বিভাগ থেকে নির্ধারিত ভাড়ার একটি চার্ট ফেরীর টার্মিনাল থেকে অনেক দুরে সরিয়ে রেখেছে ফেরীর দায়িত্বরতরা। বাংলাদেশের কোন ফেরীতে যাত্রীদের ভাড়া না রাখলেও এখানে জনপ্রতি ১০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। ফেরী পারাপারে গাড়ি প্রতি সর্বোচ্চ দুইশ’ টাকা করে ভাড়া আদায়ের কথা থাকলেও ফেরী কর্তৃপক্ষ কোন প্রকার রশিদ ছাড়াই সেখানে আট থেকে ১৫শ’ টাকা পর্যন্ত আদায় করছে। কেউ রশিদ চাইলেও দেয়া হচ্ছেনা।
ফেরীর গ্রিজার আব্দুস ছাত্তার, খোকন মিয়া, আয়নাল হোসেন ও বোটম্যান আলতাফ হোসেনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বেলতলা ফেরীতে চাকরী করার শুরু থেকেই তারা কোন প্রকার টাকা আদায়ের রশিদ দিতে দেখেননি। সরকারীভাবে কোন রশিদ দেয়া হয়কিনা তাও তাদের জানানেই। তারা বলেন, টাকা আদায়ের ব্যাপারে সবকিছু সুপারভাইজার হানিফ মিয়া জানেন।
পরিচয় গোপন রেখে কথা হয় সুপারভাইজার হানিফ মিয়ার সাথে। একান্ত আলাপনে টাকা আদায়ের রশিদ না দেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রশিদ দিলেতো আমরা দুই একশ’ টাকা বেশি আদায় করতে পারবোনা তাই দেইনা। সাংবাদিক পরিচয় জানার পর হানিফ মিয়া বলেন, ফেরীনিয়ে আপনাদের এতো মাথা ব্যাথা কেন। যদি টাকা পয়সা লাগে বলেন পরিশোধ করে দিবো। নিউজ করার কি আছে।
বরিশাল থেকে চরমোনাই যাওয়ার জন্য বেলতলা ফেরীতে পারাপার হওয়া হাওলাদার পরিবহনের পিকাপ চালক নজরুল ইসলাম বলেন, তার কাছ থেকে আটশ’ টাকা ভাড়া আদায় করা হয়েছে। বিনিময়ে তিনি টাকার রশিদ চাইলে তাকে ফেরী থেকে নামিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়া হয়।
বরিশাল সড়ক ও জনপন বিভাগের নির্বাহী পরিচালক খন্দকার গোলাম মোস্তফার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে কেউ অভিযোগও করেননি। তার পরেও বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

স/এষ্