খালিদ হোসেন মিলু ,বদলগাছী (নওগাঁ)সংবাদদাতা : নওগাঁর বদলগাছী সদর ইউনিয়ন পরিষদের উত্তরে ছোট যমুনা নদীর পশ্চিম পার্শ্বে কেন্দ্রীয় হাট নির্মান প্রকল্পের ৩ কোটি ৬১ লাখ ৬১ হাজার টাকা ব্যয় করে বালু ভরাট করার পরও হাট বাজার গড়ে তুলতে না পারায় সরকারের উক্ত পরিমাণ টাকা গচ্ছা যাওয়ার এলাকাবাসীর মধ্যৈ অভিযোগ উঠেছে । ২০১০-১১ অর্থ বছরে বদলগাছী কেন্দ্রী হাট নির্মাণ প্রকল্প গ্রহন করা হয় ভিপি ও খাস ১ একর ৩ শতক, ও ব্যক্তি মালিকানাধীন ১ একর ৪৮ শতক, মোট ২ একর ৫১ শতক জমির উপর। অতিদরিদ্র কর্মসংস্থান কর্মসূচীর আওতায় উপজেলা ৮ ইউনিয়নের ৯৯৮ জন শ্রমিককে জনপ্রতি ১৭৫/- টাকা দিন হাজিরা দিয়ে ৪০ দিনে ৬৯ লাখ ৮৯ হাজার টাকা এবং নন ওয়েজকষ্টের ১০% এর ১৩ লাখ টাকা ব্যয় করে আংশিকভাবে ভরাট করা হয়। এরপর অসমাপ্ত কাজ করার জন্য ২০১২-১৩ ও ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে প্রথম পর্যায় ৩শ মে:টন, ২য় পর্যায়ে ২শ মে:টন ও ৩য় পর্যায় ৩শ মে:টন মোট ৮শ মে:টন যার মূল্য ২ কোটি ৭৮ লাখ ৭২ হাজার টাকা। সর্বমোট ৩ কোটি ৬১ লাখ ৬১ হাজার টাকা ব্যয় কয়ে বালু ভরাট কাজ সহ অন্যান্য কাজ সমাপ্ত করা হয় ২০১৪ সালে। পরবর্তীতে জমির মালিকরা তাদের জমিতে ঘরবাড়িসহ বিভিন্ন অবকাঠামো গড়ে তোলায় হাটের পরিধি কমে যাওয়ায় হাট লাগানো আর সম্ভব হয়ে না হয়ে উঠায় সরকারের উল্লেখিত টাকা গচ্ছা যায়। জমির মালিক আমিনুল ইসলাম ও সেকেন্দার আহম্মদসহ অন্যান্য মালিকরা জানান প্রকল্পটি বাস্তবায়নকালীন সময়ে তারা বাঁধা দিলে তৎকালীন ইউএনও পুলিশ দ্বারা তাদের ভয়ভিতি ও হুমকী প্রদর্শন করে বালুভরাট কাজ অব্যাহত রাখে। এ অবস্থায় আমিনুল ইসলাম কোর্টে মামলা দায়ের করে। মামলাটি চলমান রহিয়াছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল করিম বলেন তৎকালীন পিআইওর আমলে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয় জন্যই তার কোন দায়ভার নেই। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ হুসাইন শওকত এর সংগে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি জানান পূর্বের ইউএনওর সময় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়। জমির মালিকরা তাদের জমিতে ঘরবাড়ি সহ অন্যান্য অবকাঠামো গড়ে তুলেছেন। এরপরও হাটে যাওয়ার রাস্তাসহ কিছু উন্নয়নমূলক কাজ করার জন্য উর্দ্ধেতন কর্তৃপক্ষের নিকট বরাদ্দ প্রাপ্তির জন্য লেখা হয়েছে। বরাদ্দ পেলে রাস্তাসহ উন্নয়ন মূলক কাজ করার পর হাট লাগানো হবে।
স/এষ্

