ঢাকাশনিবার , ২৪ নভেম্বর ২০১৮
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

বদলগাছীতে সমবায় সমিতির নামে দাদন ব্যবসার মহাৎসব

admin
নভেম্বর ২৪, ২০১৮ ৭:১৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বদলগাছী (নওগাঁ) প্রতিনিধি : নওগাঁর বদলগাছীতে ব্যাঙ্গের ছাতার মত গড়ে উঠেছে নামে-বেনামে অসংখ্য সমবায় সমিতি। আর এসব প্রতিষ্ঠানের আড়ালে চলছে সমবায়ের নামে দাদন ব্যবসার মহাৎসব।
জানাযায় উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে সঞ্চয় ও ক্ষুদ্র ঋণদানকারী ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক নিবন্ধিত মোট সমবায় সমিতির সংখ্যা ১৮১ টি। সমিতিগুলো বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের জন্য নিবন্ধন হলেও তাদের সমিতির কর্মকান্ড অন্য দিকে ব্যবহৃত হচ্ছে। সরকারী নিয়মনীতিকে তোয়াক্কা না করে উপজেলার নিবন্ধনকৃত সমবায়গুলো অধিকাংশ অনিয়মের মধ্যে দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে বদলগাছী উপজেলার বহুল আলোচিত বিলাশবাড়ী ইউনিয়নের আনাচে-কানাচে গড়ে উঠেছে অসংখ্য সমবায় সমিতি। সমাজের কিছু স্বার্থনেশী অসাধু অর্থলোভী ব্যক্তিরা প্রথমে তাদের আপনজন ও নিজ এলাকার পরিচিত জনদের ভোটার আইডির ফটোকপি ও ছবি সংগ্রহ করে তাদের মনোনিত ব্যক্তিদের সভাপতি ও সম্পাদক বানিয়ে উপজেলা সমবায় অফিসের মাধ্যমে সমিতির নিবন্ধন করে থাকে। সমবায় সমিতিকে নিজেদের ব্যক্তিগত প্রাতিষ্ঠানিক রূপদিয়ে শুরু করে বিভিন্ন কার্যক্রম।

সমবায় সমিতির নিয়ম অনুসারে সমিতির সদস্যদের মধ্যে সঞ্চয়, শেয়ার, বীমা, ঋণ কার্যক্রম করতে পারবেন। কিন্তু হাতে গোনা কিছু সমিতি ছাড়া অন্যসব সমিতিগুলো সদস্যদের বাহিরে ঋণ প্রদান করে থাকে। আবার অনেকে সমিতির নির্দেশিকা না মেনে নির্দিষ্ট কার্যএলাকার বাহিরে ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন কিছু সমিতি সমবায় নীতিকে অমান্য করে অসহায়ত্তের সুযোগ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে উচ্চ হারে ঋণ দিয়ে থাকেন। কিছু সমিতি সরাসরি দাদন বা সুদের ব্যবসার সাথে জড়িত। বিলাশবাড়ী ইউনিয়নের নজরুল বলেন তার এলাকার বেশ কিছু মানুষ ঐসব সমিতি থেকে সুদের টাকা নিয়ে সর্বশান্ত হয়ে বাড়ী-ঘর ছেড়ে পরিবার পরিজন নিয়ে পালিয়ে যায় দেশের বিভিন্ন স্থানে।

আবার কিছু সমিতির পরিচালকগণ অধিক মুনাফা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বৃত্তশালী ও সমাজের সাধারণ মানুষদের নিকট থেকে এককালীন চেক/পাশবহির মাধ্যমে আমানত গ্রহন করে থাকে। কিন্তু সময় মত আমানতের টাকা ফেরত না দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে নিজেরাই উধাও হয়ে যায়। আবার ফিরে এসে দিচ্ছি দিব বলে নানা তালবাহানা করে থাকে। এতে সঞ্চয় আমানতকারী সাধারণ গ্রাহকেরা বিপাকে পড়েছে। এ বিষয়ে একাধীক সমিতির পরিচালকগনের সাথে কথা বললে তারা কোন সদত্তোর না দিয়ে এড়িয়ে যান। এ বিষয়ে উপজেলা সমবায় অফিসার মোঃ লুৎফর রহমান এর সাথে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি জানান আমার জানামতে সমবায় সমিতির নামে এধরনের কোন অভিযোগ নেই তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সমাজের সচেতন মহলের দাবী এইসব সমবায় সমিতির নামে যারা দাদন ব্যবসা করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উর্দ্ধোতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

স/এষ্