ঢাকারবিবার , ৮ অক্টোবর ২০১৭
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

বদলগাছীতে প্রধান শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষিকাকে উত্যক্তের অভিযোগ

admin
অক্টোবর ৮, ২০১৭ ১০:৫০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বদলগাছী ( নওগাঁ )প্রতিনিধি 

নওগাঁর বদলগাছীতে একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কর্র্তৃক সহকারী এক শিক্ষিকাকে উত্যক্তের অভিযোগে কয়েক দফা বৈঠক হয়েছে। জানা যায়, উপজেলার মিঠাপুর ইউনিয়নের পশ্চিম খাদাইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০১৬ সালের জুন মাসে শ্যামা (ছদ্মনাম) নামে একজন শিক্ষিকা যোগদান করেন। যোগদানের কিছুদিন পূর্বে তার স্বামী ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। চাকুরীতে মাস তিনেক অতিবাহিত হওয়ার পরে হঠাৎ একদিন প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান উক্ত শিক্ষিকাকে কুপ্রস্তাব দেন। এতে উক্ত শিক্ষিকা বিব্রতবোধ করেন এবং প্রধান শিক্ষককে বলেন আপনি আমার বাবা বয়সের লোক। আপনি আমার সাথে এরুপ আচরণ করবেন না। এরই মাঝে উক্ত শিক্ষিকার বিয়ে হয়। কিন্তু দিন যতই গড়িয়ে যায় উক্ত প্রধান শিক্ষক আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেন। তিনি বিভিন্নভাবে উক্ত শিক্ষিকাকে মানসিক চাপ দিতে থাকেন। অপ্রকাশ্য ভাষায় কথা বলতে থাকেন। এসব বিষয়ে বিদ্যালয়ের অন্যান্য সহকারী শিক্ষকদের নিকট কথা বললে তারাও উক্ত শিক্ষিকাকে কুপ্রস্তাব দেন। তাঁরা বলেন, আমাদের দানকৃত জমিতে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত।

আমাদের কথা না শুনলে চাকুরী করা সহজ হবেনা। উল্লেখ্য, উক্ত প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষকগণ এর মাঝে আত্মীয়তার সম্পর্ক রয়েছে। বিদ্যালয়টি রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয় ছিল। সম্প্রতি সরকারীকরণ হয়েছে। আর কোন উপায়ন্ত না দেখে উক্ত শিক্ষিকা ঐ ক্লাস্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত এটিইও সাফী কে বিষয়টি অবহিত করলে তিনি বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকদের নিয়ে বসেন। এতেও বিষয়টি সুরাহা না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ সহ দ’ুদফায় বৈঠক হয়। বৈঠকে উক্ত শিক্ষিকার দাবীকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। তাকে গত ১৮ সেপ্টেম্বর তারিখ থেকে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, উক্ত শিক্ষিকার মাথায় সমস্যা আছে। কখন কি কথা বলেন তার কোন ঠিক ঠিকানা নেই। সে একটা পাগলী মেয়ে। প্রতিউত্তরে তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, পাগলী মেয়েকে নিয়ে দেড় বছর ধরে চাকুরী করছেন কিভাবে? তখন তিনি আর কথা বলতে রাজী হননি। এ বিষয়ে শিক্ষকনেতা আব্দুর রউফ এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, এবিষয়টি বসা হয়েছে। দু’পক্ষের কথা সুনে আমার মনে হয় মেয়েটির কোন একটা গন্ডগল আছে কারন কখন কাকে কি বলে তার ঠিক নেই বিষয়টি সুরাহা করা প্রয়োজন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ছানাউল হাবিব বলেন, বিষয়টি নিয়ে বসা হয়েছে। এটা তাদের মাঝে একটা ভুল বোঝাবুঝির ব্যাপার ছিল। উভয়কে বিষয়টি নিয়ে আর কোন কথা না বলতে বলা হয়েছে। উক্ত শিক্ষিকা বৈঠকের পরের দিন থেকে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে গেছেন বলেও তিনি জানান।

স/মা