ঢাকারবিবার , ৩ ডিসেম্বর ২০১৭
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

প্রতীক বরাদ্দ ৪ ডিসেম্বর: নির্বাচনী প্রচারণায় সরগরম রসিক

admin
ডিসেম্বর ৩, ২০১৭ ৩:১৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

রংপুর সিটি কর্পোরেশনের (রসিক) নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হতে আর একদিন বাকি (৪ ডিসেম্বর)। মূলত প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই শুরু হয় নির্বাচনী প্রচারণা।

আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু না হলেও ঘরে বসে নেই রংপুর সিটি কর্পোরেশন (রসিক) নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা। গণসংযোগ, মতবিনিময় আর বৈঠকের মধ্য দিয়ে মেয়র প্রার্থীরা প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। এমন কী কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত প্রার্থীরাও বিরামহীনভাবে তাদের প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

সরেজমিন দেখা যায়, সকাল থেকে মধ্যরাত অবধি পাড়া-মহল্লাগুলো এখন সরগরম। প্রার্থীরা নানান প্রতিশ্রুতি দিলেও মুখ খুলছেন না ভোটাররা।

এদিকে, প্রতীক বরাদ্দের পরই মেয়র প্রার্থীদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর প্রথম সারির নেতারা। দলীয় প্রার্থীকে জয়ী করতে শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবেন তারা।

সোমবার (৪ ডিসেম্বর) প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই পুরোদমে জমে উঠবে রসিক নির্বাচনের প্রচার প্রচারণা। দ্বিতীয়বারের মতো আগামী ২১ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে দেশের এই তৃতীয় বৃহত্তর নগরীতে। সে কারণে প্রতীক বরাদ্দ না পেলেও মাঠ ছাড়ছেন না প্রার্থীরা। ভোটারদের মধ্যেই যেন শীতের উষ্ণতা খুঁজছেন তারা।

শনিবার (২ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে বারোটা। নগরীর সিটি বাজারের সামনে বেশ জটলা। একটু আগাতেই দেখা মিললো ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী লিটন পারভেজের। তিনি জানালেন, তার এলাকায় ব্যবসায়ী ভোটারের সংখ্যাই বেশি। দিনের বেলা বাসায় নারী ভোটারদের দেখা মিললেও পুরুষ ভোটারদের পাওয়া যায় না। সে কারণে রাতেও গণসংযোগ চালাতে হয়।

আর শীতের সকালে নগরীর মুলাটোল পুকুরপাড় এলাকায় গণসংযোগে ব্যস্ত কাউন্সিলর প্রার্থী তৈহিদুল ইসলাম। কথা হয় তার সঙ্গে। গত নির্বাচনেও ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন তিনি।

তৈহিদুল ইসলাম জানান, গত ৫ বছরে রাস্তা, ড্রেন, কালভার্টসহ বেশ উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে তার এলাকায়। তাই জয়ের ব্যাপারে বেশ আশাবাদী তিনি।

তবে বর্ধিত এলাকাগুলোতে হিসাব-নিকাশ একটু আলাদা। শহরতলীর এসব এলাকায় উন্নয়ন হয়েছে তুলনামূলক কম। তাই, একটু ক্ষোভ রয়েছে ভোটারদের মাঝে। ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের আউয়াল, ১২ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুর রহিমসহ বেশ কয়েকজন ভোটার জানান, ভোটের ব্যাপারে এখনো কাউকে কথা দিইনি। তবে যোগ্য প্রার্থীকেই ভোট দেবেন বলে জানিয়ছেন তারা।

এদিকে, দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ায় মেয়র পদের হিসাব-নিকাশটা একটু আলাদা। দলীয় ইমেজ আর ব্যক্তিগত ভোট আদায়ে মেয়র প্রার্থীরাও ছুটছেন পাড়া-মহল্লা ও বাজারগুলোয়। ভোটারদের কাছে টানতে নিচ্ছেন নানান কৌশল। কেউ উন্নয়ন আবার কেউবা আবেগ পুঁজি করে চালিয়ে যাচ্ছেন প্রচারণা।

এদিকে, ৪ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই মূলত জমে উঠবে প্রচার-প্রচারণা। তাই, নিজদলের মেয়র প্রার্থীকে জয়ী করতে স্থানীয় নেতাদের পাশাপাশি এখন যুক্ত হচ্ছেন প্রধান তিন রাজনৈতিক দলের প্রথম সারির নেতারাও।

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু জানান, ৪ ডিসেম্বর কেন্দ্র থেকে ২৬ সদস্যের একটি টিম তার নির্বাচনী প্রচারণায় যুক্ত হচ্ছেন। নির্বাচন পর্যন্ত তারা মাঠে থাকবেন বলে জানান তিনি।

অপরদিকে, বিএনপির মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম মিজু জানান, তাদের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে কেন্দ্রীয় কমিটির একাধিক নেতা রংপুরে আসার কথা রয়েছে। প্রতীক বরাদ্দের পর বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানান তিনি।

আর জাতীয় পার্টিতে অন্তর্দ্বন্দ্ব লেগেই আছে। তবে দলীয় চেয়ারম্যান সিঙ্গাপুরে অবস্থান করায় কোনো সিদ্ধান্ত জানাতে পারেননি দলটির মহানগর সাধারণ সম্পাদক এসএম ইয়াসীর।

৩৩টি ওয়ার্ডে নিয়ে গঠিত দেশের সপ্তম এই নগরীতে মোট ভোটারের সংখ্যা ৩ লাখ ৯৪ হাজার ৮৯৩। আগামী ২১ ডিসেম্বর ১৯৩টি কেন্দ্রের ১ হাজার ১২৩টি বুথে সকাল ৮টা থেকে বিরতিহীনভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

স/এষ্