ঢাকাশুক্রবার , ২২ জুলাই ২০২২
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

পালাক্রমে ধর্ষনের পর হত্যা ৭ ঘন্টার আসামী গ্রেপ্তার

চমক নিউজ, ময়মানসিংহ
জুলাই ২২, ২০২২ ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

পালাক্রমে ধর্ষনের পর হত্যা ৭ ঘন্টার আসামী গ্রেপ্তার

পিয়াস আহমদ, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোনার দূর্গাপুর উপজেলায় সেলিনা খাতুন (৩৫) নামে এক গৃহবধূর মৃতদেহ উদ্ধারের ৭ ঘন্টার মধ্যে হত্যার রহস্য উদাঘাটন করতে পেরেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) এ ঘটনায় জড়িত তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে উপজেলার শিমুলতলী গ্রামের জনৈক মোঃ বাবুল মিয়ার ভাড়াকৃত বালু পোর্টের টিনসেড ঘরে চৌকির উপর থেকে ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে দূর্গাপুর থানার পুলিশ। গৃহবধূ সেলিনা খাতুন একই উপজেলার কাকড়কান্দা (শিবগঞ্জ বাজার) গ্রামের এমদাদুল হকের (ভাড়ায় মোটর সাইকেল চালক) স্ত্রী।

গ্রেফতারকৃতরা হল- দাখিনাইল গ্রামের হযরত আলীর ছেলে ট্রাকচালক শাহ আলম শামীম (২৮), একই গ্রামের আঃ মান্নানের ছেলে আরেক ট্রাকচালক আলীম উদ্দিন ওরফে আলী (২৩) ও কাপাসাটিয়া গ্রামের হাবিবুল হকের ছেলে ট্রাকের হেলপার মাসুম ফকির (২০)।

বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান জুয়েল পিপিএম।

তিনি জানান, আসামীরা গৃহবধূকে টাকার বিনিময়ে ঘটনাস্থলে নিয়ে ভূক্তভোগীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ভূক্তভোগীকে লাথি মেরে চৌকির উপর ফেলে দেয়। আসামিদের মধ্যে একজনের সাথে থাকা গামছা দিয়ে গলায় প্যাঁচিয়ে ধরে ও আরেকজন বুক চেপে ধরে মৃত্যু নিশ্চিত করে আত্মগোপনে চলে যায় আসামিরা।

তিনি আরও জানান, এ হত্যাকান্ডটি ক্লুলেস ছিল। দূর্গাপুর সার্কেলের সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার মাহমুদা আক্তার নেলী, দূর্গাপুর থানার ওসি মোঃ শিবিরুল ইসলাম ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তাদের দ্রুত ও আন্তরিক চেষ্টায় ঘটনার ৭ ঘন্টার মধ্যে এ হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে।

আসামীরা প্রাথমিকভাবে তারা হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। আসামীরা আদালতে ঘটনার জবানবন্দি দিলে রিমান্ডের আবেদনের প্রয়োজন হবে না। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। ফরেনসিক রিপোর্ট প্রাপ্তির পর ধর্ষণের আলামত পেলে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ মামলার ধারা সংযোজন করা হবে বলে জানান তিনি।

স/বি