মোঃ বাবুল হোসেন, পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধিঃ
জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে মিথ্যে মামলায় জর্জরিত একটি পরিবার। জমিজমা সংক্রান্ত ঘটনার জের ধরে প্রতিপক্ষের একের পর এক মিথ্যে মামলার বোঝা মাথায় নিয়ে নিঃস্ব হতে চলেছে পরিবার টি। সরেজমিনে গেলে ভুক্তভোগির পরিবারটির প্রধান উপজেলার নন্দইল গ্রামের মৃত মফির উদ্দিনের পুত্র আমজাদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, নন্দইল মৌজায় ৬২শতাংশ জমি( দাগ নং ১২৭/৪৩৪ জে এল নং ৫৯ খতিয়ান নং ৩৪১ ) ১৯২৭ সালে ইজারা মূলে করমবক্র,আলীম উদ্দিন, মফির উদ্দিন ও মোকছেল আলীর ভোগ দখলে ছিল। আলীম উদ্দিন পরবর্তীতে তার অংশ বিক্রি করেন। কিন্তু আলীম উদ্দিনের ছেলে মোশারবফ হোসেন উল্লেখিত ৬২ শতাংশ জমি নিজ নামে রেকর্ড করে কামাল উদ্দিনের কাছে বিক্রি করেন। উক্ত জমি কে কেন্দ্র করেই মোশারফ হোসেন তার সাঙ্গপাঙ্গদের দিয়ে একের পর এক মিথ্যা মামলা করতে থাকে।
মামুন, সজল, জয়েন, ইউনুছ জানান, গত ২২ শে জুন বৃহস্প্রতিবার সন্ধ্যায় তুচ্ছ ঘটনায় আমজাদ হোসেন ও মুর্শিদুলের পরিবারের মাঝে ঝগড়াঝাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়। এই ঘনটায় মোশারফের কু-পরামর্শে মর্শিদুল ইসলাম তার স্ত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করান এবং ২৪ শে জুন হাসপাতাল থেকে রিলিজ নেন। বিষয়টি পাঁচবিবি থানা অবগত হয়ে গত ৭ ই জুলাই উভয় পক্ষকে মিমাংসার জন্য থানায় ডাকলেও মুর্শিদুল সেখানে উপস্থিত না হয়ে ঐদিনই আবারও তার স্ত্রী পারভীন আক্তারকে কে হাসপাতালে ভর্তি করান। দুদিন পর আবারও হাসপাতাল থেকে রিলিজ নেন। এ ঘটনায় মুর্শিদুল ইসলাম বাদী হয়ে গত ১৩/০৭/২০১৭ইং তারিখে জয়পুরহাট জেলা বিজ্ঞ খ অঞ্চল আমলী আদালতে আবার ও আমজাদ হোসেন সহ তার পরিবারের ৭ জনকে আসামী করে একটি মামলা করেন। মামলা নং- ১০৬পি/২০১৭(পাঁচ)। বর্তমানে আমজাদ হোসেন ৫টি মিথ্যা মামলার বোঝা নিয়ে স-ুবিচারের দিনের পর দিন আদালতে ধর্না দিচ্ছেন।
স/এষ্

