ঢাকাশনিবার , ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

পদ্মা সেতুর চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি

admin
ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৭ ৫:০৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

পদ্মা সেতু নির্মাণকে ঘিরে সরকারের বিরুদ্ধে যেসব দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মহল চক্রান্তে জড়িত ছিল, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতারা। পদ্মা সেতু দুর্নীতি মামলাকে কানাডার আদালত ‘অনুমানভিত্তিক ও গুজব’ অভিহিত করার পর চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করার দাবি জানিয়েছে আওয়ামী লীগ।

পদ্মা সেতুর দুর্নীতিকে হাতিয়ার করে কারণে-অকারণে সরকারকে চাপে ফেলতে যারা অব্যাহতভাবে তথ্যসন্ত্রাস চালিয়েছে, কানাডা আদালতের রায়ের পর তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে বলে মনে করছে ক্ষমতাসীন দলটি। জাতির কাছে তথ্যসন্ত্রাসীদের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত বলেও মনে করে আওয়ামী লীগ।

আওয়ামী লীগের নীতি-নির্ধারকরা মনে করেন, পদ্মা সেতু নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ সরকারের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র ও সরকার উৎখাতের অপপ্রয়াস ছিল। শেখ হাসিনার সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করাই ছিল ষড়যন্ত্রকারীদের মূল লক্ষ্য। এর নেপথ্যে জড়িত ছিলেন দেশের মানুষজনই। কানাডার আদালতের রায়ের পর পদ্মা সেতু দুর্নীতি মামলা যে কাল্পনিক, মিথ্যা ও সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ছিল, তা প্রমাণিত হয়েছে। সুতরাং এর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীরা ভবিষ্যতে এ ধরনের আরও সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করবে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবউল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ও সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিমের মন্তব্য, কানাডার আদালত এই দুর্নীতির মামলাকে গুজব ও অনুমাননির্ভর উল্লেখ করার মাধ্যমে শেখ হাসিনার চ্যালেঞ্জকে বাস্তব রূপ দিয়েছে। কারণ তিনি বরাবরই বলে এসেছেন, পদ্মা সেতু নিয়ে কোনো দুর্নীতি হয়নি। শুধু তা-ই নয়, বিশ্বব্যাংক ফিরে গেলেও শেখ হাসিনার সৎ সাহস ছিল বলে পদ্মা সেতুর কাজ নিজ উদ্যোগে শুরু করেছে তার সরকার। ধীরে ধীরে পদ্মা সেতু বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে।

ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণে কি করা যেতে পারে প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের আইন সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু বলেন, কানাডিয়ান আদালতের রায় হাতে আসার পর তা পর্যালোচনা করে সরকার নিশ্চয়ই পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তার আগে সরকারপ্রধান শেখ হাসিনার পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে, তিনি কোন প্রক্রিয়ায় বিষয়টি মোকাবেলা করবেন তা জানতে হবে।

আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘এটা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একটা ষড়যন্ত্র ছিল। পদ্মা সেতু যেন না হয় সেজন্যই এই ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, পদ্মায় কোনো দুর্নীতি হয়নি, সে কথা আজ প্রমাণিত হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের উচিত এ ধরনের কোনো অভিযোগ উঠলে তদন্ত সাপেক্ষে বক্তব্য দেওয়া।’

দুর্নীতির অভিযোগে ২০১১ সালে পদ্মা সেতুর কাজ বন্ধ করে দেয় এর প্রধান অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান বিশ্বব্যাংক। তাদের অনুরোধে কানাডার পুলিশ সে দেশের দুই নির্মাণ প্রতিষ্ঠান এসএনজি ও লাভালিন ইন্টারন্যাশনালের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। ২০১২ সালে কানাডার আদালতে এ ব্যাপারে অভিযোগ দায়ের করা হয়। ২০১৩ সালে বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজে দুর্নীতির ঘটনায় এসএনসিকে ১০ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করে এবং পদ্মা সেতুর অর্থায়ন থেকে সরে দাঁড়ায়।

স/শা