ঢাকাবুধবার , ১৪ জুন ২০১৭
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

নির্মাণের ৯ বছরেও আলোর মুখ দেখেনি লক্ষ্মীপুরের আবহাওয়া অফিস

admin
জুন ১৪, ২০১৭ ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

এ.কে.আজাদ (জেলা প্রতিনিধি)লক্ষীপুর ঃ

নির্মাণের ৯ বছরেও আলোর মুখ দেখেনি লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলায় এক কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত আবহাওয়া অফিসটি। পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকায় আবহাওয়া অফিসের ভবনটি পরিনত হয়েছে বখাটে ও নেশাখোরদের আড্ডাখানায়। এতে করে প্রতিনিয়ত এখানে চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ। বর্তমানে এটি গৌচারণ ভূমিতে পরিনত হয়েছে। অবশ্য কর্মকর্তারা অচিরেই এ আবহাওয়া অফিসটির কার্যক্রম চালু করা হবে বললেও কবে নাগাত চালু হবে সে বিষয়ে সঠিক কোন সময় জানাতে পারেনি।
মেঘনা উপকূলীয় লক্ষ্মীপুর জেলায় বসবাস করছে প্রায় ১৮ লাখ মানুষ। এর মধ্যে ৬২ হাজার জেলে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মেঘনা নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। জেলেসহ উপকূলীয় অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের জান-মালের নিরাপত্তার জন্য সরকার রামগতি উপজেলার চর সেকান্দরে গত ২০০৮-২০০৯ অর্থ বছরে দেড় একর ভূমির ওপর আবহাওয়া অধিদপ্তরের আভ্যন্তীরন নৌ-চলাচল পূর্বাভাস এ কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়।
কিন্তু নির্মাণের ৯ বছর অতিবাহিত হলেও এখনো শুরু হয়নি এর কার্যক্রম। ফলে নির্মিত এ ভবনটি ইতি মধ্যে পরিত্যক্ত ভবনে পরিনত হয়েছে। এ সুযোগে বখাটে সন্ত্রাসীদের মদ জুয়া ও অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে এ ভবনে। ভবনের সামনে থাকা বিশাল মাঠ এখন গৌচারণ ভূমিতে পরিনত হয়েছে।
কলেজ ছাত্র জুবায়ের হোসেন বলেন, এখানে আবহাওয়া অফিস আছে, তবে এর কোন কার্যক্রম নেই। ফলে দিন-রাতে বাজে লোকজন এ ভবনে ঢুকে মদ গাঁজাসহ বিভিন্ন নেশা করে থাকে। এ সড়কে স্কুল বা কলেজেগামী অনেক ছাত্রীদের ইভটিজিংসহ বিভিন্ন হয়রানীর শিকার হতে হচ্ছে।
স্থানীয় জমিদাতা রহিম মাঝি, সালামত উল্যাহ ও আবদুল খালেক জানান, আমরা বড় আশা করে জমি দান করেছি। যদি আমাদের জমি থাকত, তাহলে আমরা বিভিন্ন ফসল আবাদ করে খেতে পারতাম। কিন্তু এখন কোনটাই হলনা বরং আমাদের ক্ষতি হয়েছে। তাই সরকারের কাছে আমাদের দাবী যত দ্রুত সম্ভব আবহাওয়া অফিসটি চালু করা হয়। এতে করে ঝড়-তুফানের পূর্বাভাস পেলে আমাদের জান-মালের রক্ষা হবে।
রামগতি পৌরসভা ওয়ার্ড কাউন্সিলর বেল্লাল হোসেন বলেন, মেঘনা নদীর জেলেসহ স্থানীয় সাধারন মানুষ এ আবহাওয়া অফিসের মাধ্যমে আবহাওয়ার পূর্বাভাস পাবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে তার উল্টো। এ আবহাওয়া অফিসে কোন লোকজন থাকেনা এবং এর কার্যক্রম এখনো শুরু হয়নি।
রামগতি পৌরসভার মেয়র শাহেদ আলী পটু জানান, পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডে আবহাওয়া অফিসটি দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। এর কোন কার্যক্রম নেই। ফলে প্রতিদিন এখানে বসে জুয়ার আসর। তাই এই আবহাওয়া অফিসটি চালু করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিকট জোর দাবী জানাই।
লক্ষ্মীপুর জেলা ত্রান কর্মকর্তা জানান, আবহাওয়া অফিস ভবনটি অরক্ষিত ও পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকার বিষয়টি আমি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। আগামী কয়েকমাসের মধ্যে এখানে জনবল নিয়োগ দেয়া হবে। এর কার্যক্রম শুরু হলে এখান থেকে নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলার আবহাওয়ার পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যাবে। তখন আবহাওয়ার তথ্যের জন্য ঢাকা আবহাওয়া অধিদপ্তরের দিকে আমাদের আর তাকিয়ে থাকতে হবেনা।

স/এষ্