তাপস কুমার, নাটোর:
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার ৩০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এগুলোর মধ্যে কোনো কোনোটিতে প্রায় ৫ বছর ধরে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় ১ম ও ২য় পর্যায়ে জাতীয়করণসহ মোট ৯৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। তার মধ্যে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে কালিকাপুর, জোয়াড়ি, কচুগাড়ি, কৃষ্ণপুর, ভিটাকাজিপুর, জোনাইল, গাড়ফা, দিয়াড়গাড়ফা, জামাইদিঘা, তালশো, ভাণ্ডারদহ, মাড়িয়া, শ্রীরামপুর, নিশ্চিন্তপুর, কচুয়া, চান্দাই, রাথুরিয়া, ইন্দ্রাপাড়া, পিওভাগ, ব্রক্ষত্রপারগোপালপুর, ভরতপুর, সাতইল, কাঁচুটিয়া, নাজিরপুর ও নটাবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এ ছাড়াও ২য় পর্যায়ে জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয়গুলোতে ইতিপূর্বে দায়িত্ব পালন করা প্রধান শিক্ষকরা বিধি অনুযায়ী সহকারী শিক্ষক হিসেবে গণ্য হওয়ায় চণ্ডিপুর, মল্লিকপুর, তেলো, ছোট পেঙ্গুইন, শিবপুর শহীদ কল্লোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য হয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন যাবৎ ভারপ্রাপ্ত প্রধান দিয়ে চলছে এসব স্কুল। এতে করে প্রধান শিক্ষক না থাকার পাশাপাশি দাপ্তরিক কাজে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বেশি ব্যস্ত থাকায় শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
ভরতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা আফরোজা খাতুন বলেন, বিদ্যালয়ে কর্মরত চার জন শিক্ষকের মধ্যে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দাপ্তরিক কাজে উপজেলায় গেলে তিনজন শিক্ষককেই সব ক্লাস নিতে হয়।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার আকলিমা খানম বলেন, সহকারী শিক্ষকদের দায়ের করা মামলা নিষ্পত্তি হওয়ায় এসব বিদ্যালয়ে পদোন্নতির ভিত্তিতে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ হবে। ইতোমধ্যে শূন্যপদের তালিকা ও পদোন্নতির জন্য বাছাইকৃত শিক্ষকদের তালিকা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষ এসব শূন্য পদ পূরণে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে আশা করছি।
স/এষ্

