মো. সাদের হোসেন বুলু নবাবগঞ্জ থেকে
ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় মুষলধারে বৃষ্টির ফলে অধিকাংশ কাঁচা-পাকা সড়কে কাঁদা ও পানি জমে যানজোটের সৃষ্টি হয়। ফলে পথচারী ও যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে অধিকাংশ সড়ক গুলো। স্কুল,কলেজগামী ছাত্রছাত্রী , চাকুরীজীবি ও নিন্ম আয়ের মানুষেরা ভোগান্তিতে পরে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকার করার কারনে পানি জমে যাতায়াতের এই সমস্যা তৈরী হয়েছে বলে মনে করেন ভূক্তভোগী জনসাধারণ।
সারাদেশের ন্যায় সপ্তাহের প্রথম দিন রোববার থেকেই টানা বৃষ্টির কারনে উপজেলার সদরের প্রধান সড়ক ও কাশিমপুর, বাগমারা, সমসাবাদ. ডিএন কলেজ রোড , নবাবগঞ্জ পাড়াগ্রাম বাইপাস সড়ক সহ আশে পাশের ছোট সড়ক গুলোর বিভিন্ন অংশ পানিতে ডুবে যায়।এসময় উপজেলা সদরের অবস্থিত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীসহ অনান্য সরকারী অফিস, ব্যাংক বীমা অফিসে আসা লোকজন দুর্দশার মধ্যে পরে।
উপজেলার সাব-রেজিষ্টার অফিসে ব্যাক্তিগত প্রয়োজনে এসেছিলেন কৈলাইলের সার ব্যবসায়ী মো. সেলিম হোসেন তিনি বলেন, অতি বর্ষনের ফলে ড্রেনের নোংরা ও পচাপানি উপরে উঠে পানি রাস্তায় জলাবদ্ধতা তৈরী হয়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। সমস্যায় পরতে হচ্ছে বিভিন্ন অফিসে গিয়ে কাজ করতে।
নবাবগঞ্জ ডিএন কলেজ সড়কের পথচারী বাসন্তী বাউল বলেন, ব্যাংকে এসেছিলাম ছোট মেয়ে কনাকে সাথে নিয়ে সকাল ১১ টায়।এখন বেলা ২ টা বাঁজে কিভাবে বাড়িতে যাব রাস্তা পানি ও কাঁদায় নষ্ট হয়ে গেছে।
হাট বাজারসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠাননে তেমন বেচাকেনা হয়নি। সরকারী স্বাস্থ্য সেবাকেন্দ্র ও ক্লিনিক গুলো ফাঁকা ছিলো।
উপজেলা প্রকৌশলী মো. শাহজাহান বলেন, বর্ষা মৌসুমে টানা বর্ষের কারনে কোথাও কোথাও হয়ত পানি জমতে পারে । ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও সড়ক সংস্কারে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে উপজেলার বেশকিছু সড়ক সংস্কারের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
স/এষ্

