খাইরুল ইসলাম, ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠিতে বর্ষা মৌওসুম আসার আগেই তীব্র হয়েছে নদী ভাঙন। সুগন্ধা, বিষখালী এবং গাবখান নদীর ভাঙ্গনে ইতোমধ্যে বিলীন হয়ে গেছে অসংখ্য বাড়ি-ঘর ও ফসলী জমি। ভেঙে ভাঙনের মুখে রয়েছে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মসজিদ, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন স্থাপনা। জেলার বিভিন্ন স্থানে বেড়িবাঁধ যাওয়ায় জোয়ারর পানি প্রবেশ করে মরিচ, মুগ, ছোলাসহ বিভিন্ন ফসল ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙন রোধে মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ চেয়ে পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছে। তবে হুমকির মুখে রয়েছে এখনও অসংখ্য বাড়ি-ঘর ও ফসলী জমি।
ঝালকাঠিতে বর্ষা আসার আগেই সুগন্ধা, বিষখালীসহ অন্যান্য নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। সেই সাথে নদী ভাঙনের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় জনমনে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে সুগন্ধা ও বিষখালীসহ জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর ৮টি পয়ন্টে মোট ১০ কিলোমিটার বেড়িবাধ ভেঙে গিয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ করে বিভিন্ন রবি ফসল বিশেষ করে মরিচ, মুগ, ছোলাসহ অন্যান্য শাক-সব্জির মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে, নদীতে বিলিন হয়ে যাচ্ছে ফসলি জমি, বসতবাড়ীসহ বিভিন্ন স্থাপনা। মাত্র দুই বছর আগে দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দেউরি সাইক্লোন সেল্টার কাম প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনটি এখন বিষখালীর ভাঙনের মুখে।
যে কোন সময়ে এটি নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। এছাড়া ভবানীপুর লঞ্চঘাট, স্কুল, বাজার, মসজিদ, বাদুরতলা বাজার, হদুয়া দরবার শরীফ, বৈশাখিয়া স্কুল এবং মাদ্রাসা, চাঁদপুরা প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অসংখ্য বসতবাড়ি ও ফসলী জমি ভাঙ্গনের মুখে রয়েছে।
এ ব্যাপারে উপ-সহকারি প্রকৌশলী পানি উন্নয়ন বোর্ড ঝালকাঠির মাইনুল ইসলাম নদী ভাঙন বৃদ্ধি পাওয়ার কথা স্বীকার করে জানান, তারা ইতোমধ্যে কয়েকটি প্রকল্প প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। বরাদ্দ পেলেই ভাঙন রোধের পদক্ষেপ নেয়া হবে।”
স/এষ্

