ঢাকাশুক্রবার , ৫ মে ২০১৭
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

ধামরাইয়ে বাম্পার ফলনেও হাসি নেই মরিচ চাষিদের

admin
মে ৫, ২০১৭ ৯:৪২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ধামরাই (ঢাকা) থেকে মো. মাসুদ সরদার
বাম্পার ফলনেও হাসি নেই ধামরাইয়ের মরিচ চাষিদের মুখে। নায্য দাম না পাওয়ায় লোকসান গুনতে হচ্ছে তাদের। হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম আর পুঁজি খাটানোর পর উৎপাদন খরচ উঠানোই দায় হয়ে উঠেছে তাদের।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানিয়েছে, ধামরাইয়ের ষোলটি ইউনিয়নে কমবেশি মরিচের আবাদ হয়। তবে কুল্লা, কুশুরা ও বালিয়া ইউনিয়নে সিংহভাগ মরিচের চাষ হয়ে থাকে। চলতি মৌসুমে প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমিতে মরিচের আবাদ হয়েছে।

কুশুরা ইউনিয়নের বান্নল গ্রামের কৃষক মো. সিরাজুল ইসলাম এ বছর দুই বিঘা জমিতে মরিচের আবাদ করেছেন। জমি তৈরি, সেচ, সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি শ্রমিক সব মিলিয়ে তার বিঘাপ্রতি মরিচ চাষে খরচ হয়েছে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। ফলন ভালো হলে প্রতি বিঘায় ৭০ থেকে ১০০ মণ মরিচ উৎপাদন হয়। তবে, এ বছর ফলন ভালো হলেও বাজারে মরিচের দাম না থাকায় তার উৎপাদন খরচ উঠানোই দায় হয়ে পড়েছে।

তিনি জানান, মৌসুমের শুরু থেকেই বাজারে প্রচুর মরিচের আমদানি হওয়ায় দাম একেবারেই কম যাচ্ছে। বর্তমানে প্রতি কেজি মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে ৮ টাকা দরে। এক কেজি মরিচ তুলতে শ্রমিকদের দিতে হয় ৫ টাকা। পরিবহনে প্রতি কেজিতে খরচ হয় ১ টাকা থেকে ২ টাকা।

পার্শবর্তী গোলাইল গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম জানান, গত বছর তিনি ১ বিঘা জমিতে মরিচের আবাদ করেছিলেন। অধিক লাভের আশায় তিনি এ বছর ৪ বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করেছেন। তবে, এবারে মরিচের দাম না থাকায় তিনি বড় ধরনের লোকসানে পড়বেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. লুতফর রহমান জানান, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মরিচের ব্যাপক ফলন হয়েছে। মৌসুম শুরুর আগেই অধিক ফলন হওয়ার কারণে কৃষকেরা দাম পাচ্ছেন না। তা ছাড়া দালাল-ফড়িয়া চক্রের কারণেই দুই বছর ধরে স্থানীয় মরিচ বিদেশে পাঠানো যাচ্ছে না। যে কারণে কৃষকেরা ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না।

স/এষ্