ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির “এন্ট্রাপ্রেনিউরশীপ” বিভাগ প্রদত্ত শিরোনামের দ্বিতীয় পর্বের বৃত্তি পেল ১০ শিক্ষার্থী। দেশের শীর্ষস্থানীয় ১০ জন শিল্পোদ্যোক্তার নামে প্রদত্ত এ বৃত্তিপ্রাপ্তরা ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির “এন্ট্রাপ্রেনিউরশীপ” বিভাগে চার বছরের ¯স্মাতক (সম্মান ) কোর্সে অধ্যায়নের সুযোগ পাবে এবং সফল উদ্যোক্তা তৈরী করা পর্যন্ত প্রয়োজনীয় নানাবিধ সহযোগিতা প্রদানের পাশাপাশি ব্যবহারিক ও তত্ত্বীয় শিক্ষা প্রদান করা হবে যা তাদেরকে চার বছরের শিক্ষা জীবনে একজন সফল উদ্যোক্তা হতে অনুপ্রাণিত করবে। অধিকন্তু এ প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি শিক্ষার্থী অধ্যায়নকাল থেকেই কিছু কিছু অর্থ উপার্জনের সুযোগ পাবে যা তাদের নতুন ব্যবসা শুরু করার ক্ষেত্রে মূলধন হিসেবে কাজ করবে। এবং ব্যবসাখাতে তাদের সম্পৃক্ততাকে নিশ্চিত করবে।
আজ ১৪ মে ২০১৭ বিশ^বিদ্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে প্রধান অতিথি হিসেবে চূড়ান্ত বিজয়ী বৃত্তি প্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেন বিশবিদ্যালয়ের ট্রাষ্টিবোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ সবুর খান। বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইউসুফ এম ইসলামের সভাপতিত্বে বৃত্তিপ্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিশ^বিদ্যালয়ের ট্রেজারার হামিদুল হক খান, রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. প্রকৌশলী এ কে এম ফজলুল হক, পরিচালক (হিসাব ও অর্থ) মোঃ মুমনুল হক মজুমদার,র্ স্টুডেন্ট এফেয়ার্সের পরিচালক সৈয়দ মিজানুর রহমান, ইনোভেশন এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টারের পরিচালক আবু তাহের খান ও এন্ট্রাপ্রেনিউরশীপ বিভাগের প্রধান সৈয়দ মারুফ রেজা।
শিরোনামের দ্বিতীয় পর্বের বৃত্তিপ্রাপ্তরা হলেন, নাইমা জাহান (টাঙ্গাইল), মোঃ নাহিদুল ইসলাম (ভোলা), ফারনহান এজাজ ( ঢাকা), সঙ্জয় পাল (ঠাকুরগাঁও), তৌহিদুর রহমান আদিল (ব্রাহ্ম্রন বাড়িয়া), ফারহান শাহরিয়ার (ঠাকুর গাঁও), সাদিয়া আকতার সাম্মী (ভোলা), মোহাম্মদ রাফিউজ্জামান ( ঢাকা), মোঃ উজ্জ্বল ইসলাম (ঠাকুর গাঁও) এবং আহসান হাবীব (নাটোর)।
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির “এন্ট্রাপ্রেনিউরশীপ” বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় তরুন ঝঃধৎঃঁঢ় ও উদ্যোক্তাদের খুঁজে বের করার জাতীয় মেধা অন্বেষণের উদ্যোগ। এ উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিটি বিজয়ীর মধ্যে লুকিয়ে থাকা উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন বা ব্যবসায়িক ভাবনাসমূহকে উদ্ভাবন করে পরিকল্পিতভাবে সংঘটিত ও সঠিক গন্তব্যে পরিচালিত করবে। যেসব বরেণ্য উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠানের নামে এ বৃত্তিসমূহ প্রদান করা হয় তারা হলেন, ড. কাজী খলিকুজ্জামান আহমেদ (পিকেএসএফ), জনাব লতিফুর রহমান ( ট্রান্সকম গ্রুপ), আলহাজ্জ্ব সুফী মোঃ মিজানুর রহমান (পিএইচপি গ্রুপ), জনাব সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী (এপেক্স গ্রুপ), জনাব এম আনিস উদ দৌলা (এসিআই), জনাব এ কে আজাদ (হা-মীম গ্রুপ), মিসেস গীতি আরা সাফিয়া চৌধুরী ( এডকম লিঃ), মিসেস রোকেয়া আফজাল ( বাংলাদেশ ফেডারেশন অব উইমেন্স এন্ট্রপ্রেনিউরশীপ) এবং মোঃ মজিবর রহমান (বি আরবি ক্যাবলস্ লিঃ)।
স/এষ্

