মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি: মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে পুলিশ ও এক প্রভাবশালী আ”লীগ নেতার ইন্দনে লিজের জায়গা ওয়ারিশ দাবি করে দখলের পায়তারা চলছে । প্রকৃত মালিকদের পুলিশ দিয়ে হয়রানি এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে । মঙ্গলবার রাতে পুলিশ প্রকৃত লিজধারীদের বাড়িতে গিয়ে পুরুষ শূণ্য ভুক্তভোগীদের বাড়ির উঠতি বয়সের মেয়েদের বকাঝকা করার অভিযোগসহ রাতভর স্থাণীয় সন্ত্রাসী দিয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মোহড়া দিয়েছে দখলকারীরা। পুলিশ এবং সন্ত্রাসীদের ভয়ে প্রকৃত লীজধারীরা পালিয়ে গেলে সন্ত্রাসী নিয়ে বুধবার সকালে বিবাদমান জমির পুকুর পাড়ে একটা ছাপড়া তোলে বাঁশ দিয়ে বেঁড়া দিয়ে রেখেছে দখলকারীরা।
স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, কামারখাড়া ইউনিয়নের নয়শংকর গ্রামের মৃত কলিমউদ্দিন কাজী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ভিপি কেইস ১২০/৭৭ মূলে নয়সংকর মৌজার ৩৮১/১ এবং ১৪৯ খতিয়ানের ৩১৮, ৩২০,৩২০/৭৫৩ দাগে মোট ৮৭ শতাংশ ভুমি ১৯৭৭ সালে লিজ নেয়। লিজকৃত জমিতে বসতবাড়ী স্থাপন এবং চাষাবাদ করে আসছিলো মৃত কলিমউদ্দিন । কলিমউদ্দিন মৃত্যুর আগে ৫ ছেলে ১. আবুল কাজী, ২.আবু তাহের কাজী, ৩.আবু বক্কর কাজী, ৪.কাসেম কাজী, ৫.আকবর কাজী এবং ১ কন্যা ফেরদৌসি বেগমকে ওয়ারিশ রেখে গেলেও তার লিজকৃত জমি তার ৩ ছেলে আবুল কাজী, আবু তাহের এবং আবু বক্করের নামে নন জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে লিজকৃত ভুমির মালিকানা হস্তান্তর করে দখল বুঝিয়ে দিয়ে গেছেন । সেই থেকে ওই জমি কলিমউদ্দিনের উক্ত ৩ পুত্র ভোগদখল করে আসলেও এখন প্রভাবশালী এক নেতার ইন্দনে কালিমউদ্দিনের অপর ২ ছেলে আকবর কাজী, কাসেম কাজী এবং কন্যা ফেরদৌসি বেগম ভাড়াটিয়া লোক এনে জমি দখল করার চেষ্টা চালাচ্ছে । তারা সম্পত্তি দখলে না থাকলেও সকল ওয়ারিশদের নাম দিয়ে একটি ডিসিআর কেটে এনে সম্পত্তির ওয়ারিশ দাবি করছে। এ ব্যাপারে ওই লিজ জমি দখলে থাকা আবুল গংরা জানান, আমার বাবা আমাদের ৩ ভাইয়ের নামে উক্ত জায়গা লিখে দিয়ে গেছে। দির্ঘদিন যাবৎ আমরা জমি ভোগদখল করতাছি। কিন্তু বর্তমানে আমার অন্য ভাই বোনরা পুলিশ ও সন্ত্রাসী দিয়ে আমাদের জমি দখল করছে। তবে অবৈধ দখলকারী আকবর কাজি দখলের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, আমরা একই পিতার সন্তান তবে কেন জমি পাবনা।
এ ব্যাপারে কামরাখারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো: মহিউদ্দিন হালদার বলেন, আমি একজন জনপ্রতিনিধি হিসাবে আকবর কাজী গংদের বলেছি লিজের জমির কোন ওয়ারিশ হয়না । আবুল কাজী গংরা দীর্ঘ বছর ধরে দখলে আছে । তোমরা সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে দখল করার চেষ্টা করিও না কারন এটা সরকারী সম্পত্তি । তারা আমার কোন কথা শুনেনা ।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত পুলিশ কমকর্তা টঙ্গীবাড়ী দিঘিরপাড় তদন্ত কেন্দ্রের এসআই শাহিন জানান, আমরা মঙ্গলবার রাতে ঘটনাস্থলে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি শান্ত করেছি করো পক্ষে গিয়ে দখলের বিষয়টি অস্বিকার করে সে।
টঙ্গীবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসা: হোসিনা আক্তার জানান, স্থাণীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। তবে এখনো কেউ এ ব্যাপারে অভিযোগ করেনি।
স/এষ্

