মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি: টঙ্গীবাড়ী উপজেলার কামারখাড়া ইউনিয়নের স্থাণীয় একটি মাঠে প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই মেলার আয়োজন চলছে। ওই মেলা আয়োজনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
মেলায় জুয়া বানিজ্য ও অবৈধ কর্মকান্ডের আশংঙ্কা করছে স্থানীয়রা। স্থাণীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, বিগত সময় ওই মেলায় নানা রকমের অবৈধ কর্মকান্ড হয়ে আসছে। উপজেলার দিঘীরপাড় ও কামারখাড়া ইউনিয়নের সংযোগ স্থলে দিঘীরপাড় এ.সি ইনস্টিটিউট মাঠে ২ দিনের ওই মেলার আয়োজন করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তবে ওই স্কুলটি দিঘিরপাড় ইউনিয়নে স্থাপিত হলেও স্কুল মাঠ মেলার স্থলটি পার্শ্ববর্তী কামারখাড়া ইউনিয়নে হওয়ায় মেলা আয়োজন নিয়ে দুই ইউনিয়নের দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এছাড়া মেলা আয়োজনের জন্য স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃংখলা বাহিনী কিংবা ইউনিয়ন পরিষদের কাছ থেকে কোন প্রকার অনুমতি নেওয়া হয়নি। গতকাল শুক্রবার দুপুরে সরজমিনে গিয়ে দেখাযায়, বিদ্যালয়ের মাঠে মেলার দোকান নির্মানের প্রস্তুতি প্রায় শেষ। দোকানীরা জানায়, আগামীকাল শনিবার থেকে মেলা শুরু হবে।
এ সময় স্থানীয় কয়েকজন যুবক জানান, মেলায় জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরই বিশৃংখলা সৃষ্টি হয়। বিশৃংখলার কারনে এলাকার শান্তি নষ্ট হয়। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোশারফ হোসেন বলেন, বিগত বছরের মত এবারো মেলার আয়োজন করা হয়েছে। আমি মেলার বিষয়ে টঙ্গীবাড়ী থানা পুলিশ, প্রশাসন এবং স্থাণীয় চেয়ারম্যানকে মৌখিকভাবে অবহিত করছি। কামারখাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন হালদার জানান, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কোন অনুমতি দেওয়া হয়নি। মেলাকে কেন্দ্র করে জুয়া খেলা ও মাদক সেবন নিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হওয়ার শঙ্কা থাকায় আমার ইউনিয়নে এ ধরনের মেলা আমি চাইনা।
এ ব্যাপারে টঙ্গীবাড়ী থানা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসিনা আক্তার জানান, মেলা আয়োজনের ব্যাপারে আমি জেলা প্রশাসক থেকে অনুমতি নিতে সবাইকে বলেছি। ওই স্থানে মেলা আয়োজনের অনুমতির কোন অনুলিপি আমার কাছে দেওয়া হয়নি। অনুমতি ছাড়া মেলা আয়োজন করতে আমি নিষেধ করেছি।
স/এষ্

