জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়কে কেন্দ্র করে সহিংসতার আশঙ্কায় জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজধানীর ঝঁকিপূর্ণ এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তার জন্য মাঠে নেমেছে র্যাব।
মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির পল্টন কার্যালয়সহ বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার সড়কে র্যাবের মোটরসাইকেল পেট্রোল টিমের বাড়তি তৎপরতা দেখা গেছে।
র্যাব জানায়, ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায় সামনে রেখে পুলিশ সদর দফতর থেকে নিরপত্তা ব্যবস্থার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এতে সকল বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে র্যাবও কাজ করছে।
র্যাব-৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এমরানুল হাসান বলেন, র্যাবের রুটিন পেট্রোল সবসময়ই চলে। তবে ৮ ফেব্রুয়ারিকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেনো ভালো থাকে সেজন্য পেট্রোল বাড়ানো হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল থেকেই রাজধানীর বাস, পিকাপ, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের যানবাহনে তল্লাশি করছে পুলিশ। সন্দেহভাজন পথচারীদেরও করা হচ্ছে তল্লাশি। নিরাপত্তা জোরদার হয়েছে ঢাকার বিভিন্ন প্রবেশে পথে। বসানো হয়েছে তল্লাশি চৌকি, বাড়ানো হয়েছে পুলিশ সদস্যের সংখ্যাও।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের রায়ের দিন ঘিরে মঙ্গলবার বিশেষ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এ দিন রাজধানীতে মিছিল বা জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।
বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, ৮ ফেব্রুয়ারি ভোর ৪টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ঢাকা মহানগরে সব ধরনের লাঠি, ছুরি, চাকু বা ধারালো অস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য ও দাহ্য পদার্থ বহন নিষিদ্ধ থাকবে।
যানবাহন ও জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এবং রাস্তায় দাঁড়িয়ে/বসে কোনো ধরণের আন্দোলন ও মিছিল করা যাবে না।
ডিএমপি কমিশনারের দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিচারাধীন একটি মামলার রায়কে কেন্দ্র করে ঢাকা মহানগরীতে কোনও কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠী অরাজকতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির মাধ্যমে জননিরাপত্তা ও জনশৃংখলা বিঘ্নের অপপ্রয়াস চালাতে পারে মর্মে বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্য, ইলেকট্র্রনিক, প্রিন্ট ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো থেকে জানা যায়।
স/এষ্

