খাইরুল ইসলাম, ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠি ডিবির ওসি কামরুজ্জামন ও এসআই আমিনুল ইসলামের ফিটিং বানিজ্য, ব্লাকমেইল, ওপেনে ঘুষ বানিজ্য ও বেপরোয়া বিতর্কিত কর্মকান্ডের সংবাদ প্রকাশের পর বেড়িয়ে আসছে থলের বিড়াল। একাধিক ভুক্তভোগী জানিয়েছেন আরও ভয়ানক তথ্য। মুখ খুলতে শুরু করেছে নির্যাতিতরা। এদিকে প্রকাশিত সংবাদটি ব্যপক আলোচনা সৃষ্টি করে জেলাজুড়ে। ছড়িয়ে পড়ে জেলার বাইরেও। নড়েচড়ে বসেছে কর্তৃপক্ষও। প্রতিবেদককে ফোনে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একাধিক ভুক্তভোগী এ সংবাদেও ফলো-আপ প্রকাশ করতে অনুরোধ করেন।
ঝালকাঠি ডিবির ওসি কামরুজ্জামন ও এসআই আমিনুল ইসলাম ডিবি পুলিশে যোগদান করার পর থেকেই একের পর এক বিতর্কিত নানা কর্মকান্ড চালিয়ে আসেন। আর এ নিয়ে সম্প্রতি সংবাদ প্রকাশ হলে নির্যাতিরা আরও ভয়ঙ্কর তথ্য প্রকাশ করেন।
মাদক ব্যবসা, নারী ঘটিত বিষয় এবং শালিশীর নামে একের পর কার্যক্রম করে মোট অংকের অর্থ হাতিয়ে নেয় । শহরের ডাক্তারপট্টির এক জুয়েলারী ব্যবসায়ীর কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ গ্রহন, গাভায় রাজাকার আইন দেখিয়ে অর্থ আদায়, আবাসনে নারী ব্যবসায়ার মাসহারা এবং সবচে বেশি বানিজ্য করেন মাদক দিয়ে ধরে অসংখ্য মানুষের কাছ থেকে আর্থ আদায়ের চাঞ্চল্যকার তথ্য ও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
প্রকাশিত সংবাদের লিংক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ হলে সেখানেও নির্যাতিত ভুক্তভোগীরা কমেন্টে নির্যাতনের কাহিনী তুলেন। সেবসব বিষয়ের অভিযোগগুলো ইতোমধ্যেই প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। সংবাদের তৃতীয় পর্বে বিস্তারিত সেসব নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে।
এদিকে ঝালকাঠিতে শিশু গৃহকর্মীকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আপোষের জন্য বাদীকে ডিবি পুলিশের চাপ প্রেয়োগের বিষয়টি ফুসে উঠেছে এলাকাবাসীসহ জেলার বেশকটি সামাজিক সংগঠন। তারা ডিবির এ কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে মানবন্ধন ও ঘেরাও কর্মসূচির হুশিয়ারীও দিয়েছেন।
এদিকে এ ব্যপারে ঝালকাঠি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল এমএম মাহমুদ হাসান (বিপিএম সেবা) বলেন, পুলিশ সুপার বরাবরে যদি কেউ ডিবির বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ নিয়ে সুস্পস্ট ভাবে অভিযোগ করেন তবে তা তদন্ত করে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে, বলেন তিনি।
স/এষ্

