ঢাকাসোমবার , ৮ জানুয়ারি ২০১৮
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

ঝালকাঠিতে জেঁকে বসছে শীত

admin
জানুয়ারি ৮, ২০১৮ ৮:১৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

খাইরুল ইসলাম, ঝালকাঠি প্রতিনিধি: পৌষের শুরুতেই ঝালকাঠিতে জেঁকে বসছে শীত। কনকনে শীত আর ঠান্ডা বাতাসে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। অধিকাংশ স্থানে সূর্যের দেখা মিললেও বাতাসে শীত বেশি অনুভূত হয়েছে। কৃষক, শ্রমিক, দিনমজুরসহ স্বল্প আয়ের মানুষরা আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা চালিয়েছেন। অন্যান্য দিনের তুলনায় শীতের তীব্রতা ছিল বেশি।

পৌর এলাকাসহ সদর উপজেলায় গতকাল কনকনে ঠান্ডায় জনজীবন থমকে যায়। ভ্যান গাড়ি ও ট্রলিতে করে সস্তায় শীতের কাপড় বিক্রিতে নেমেছে ফেরিওয়ালারা। মাফলার, সোয়েটারসহ নানা ধরনের পুরনো কাপড় কিনতে ভ্যান গাড়ি ঘিরে স্বল্প আয়ের মানুষের ভিড় জমে ওঠে। ঝালকাঠিতে গতকাল ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বনিম্ন ১০ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল।

ঝালকাঠির পৌর এলাকা ও সদরের গ্রামগঞ্জে কনকনে শীতের হাওয়া ও তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। গ্রামগঞ্জের জনজীবনের গতিবেগে হোঁচট খেয়েছে। জনগণ গরম কাপড়, আগুন ও নানা উপকরণে শীত মোকাবিলার চেষ্টা করছে।

সারেজামনে দেখাগেছে, পৌষের শীতে গত দু’দিনেই কাবু করে ফেলেছে দক্ষিণাবাসিন্দাদের। ঘন কুয়াশা আর ঠান্ডা বাতাসের সাথে গতকাল শেষরাতে হালকা বৃষ্টি অনুভুতী ও শীতের তীব্রতা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। হঠাৎ করে আবহাওয়ার এমন চরিত্র বদলে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। রোগাক্রান্তদের সিংহভাগই শিশু।

চলতি মাসে এমন শীতের তীব্রতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। আবহাওয়া দপ্তরের রের্কড অনুযায়ী হঠাৎ করেই বরিশাল জুড়ে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসে। সারাদিনে সূর্যের দেখা গেলেও বিকেল থেকে কুয়াশা আর কখনো কালো মেঘে ঢাকা ছিল দক্ষিণ উপকূলের আকাশ।

হঠাৎ শীতের তীব্রতা বেড়েছে দেখা নেই সূর্যের? খেটে খাওয়া মানুষ কনকনে ঠান্ডা উপেক্ষা করে ছুটেছেন কর্মস্থলে। শীতের দাপটে সদরের, নথুল্লাবাদ, গাভা রামচন্দ্রপুর, নবগ্রাম, বাসন্ডা, কেওড়া, শেখেরহাট ও গাবখানসহ গাবখান ও বিশখালি নদী পাড়ের মানুষদের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। শহর কি গ্রাম সব জায়গাতেই খড়কুটো দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চিত্রের দেখা মিলছিল গরিব ও খেটে খাওয়া মানুষগুলোর।

পৌর শহরের রিকশাচালক রিয়াজ মুন্সি বলেন, ‘আজ অনেক ঠান্ডা পরেছে, রিকশা চালাতে পারছি না বাতাসের তিব্রতা আজ আগের চেয়ে বেড়েছে। বাতাশে হাত পা বরফ হয়ে যাচ্ছে।’

ধানসিড়ি এলাকার সাচিলাপুরের বৃদ্ধা মাজেদা বলেন, ‘এত ঠান্ডা পড়ছে আর কুলাইতে পারছি না। নদীর ঠান্ডা বাতাসে শরীল অবস হইয়া যায়।’

ঝালকাঠি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: তাইজুল ইসলাম বলেন, পৌষের গনকুয়াশা আর এর সাথে একটু বৃষ্টি হলে সরিষার ফুল পড়ে ফলনের ক্ষতি হতে পারে। এছাড়া রোপণকৃত আলু গাছের গোড়ায় পচন ধরে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।

এদিকে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় গ্রামের মানুষগুলোর গরম কাপড়েও শীত নিবারণ হচ্ছে না। রাত বাড়ার সাথে সাথে ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে শহর কিংবা গ্রাম। ঠান্ডাজনিত রোগেরও প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে।
মো: খাইরুল ইসলাম, ঝালকাঠি থেকে।
০৭-০১-২০১৮খ্রি:।
মোবা: ০১৬১০৭৬৭৯২১।