ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৪ জুন ২০২১
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

জনবল সংকটে কেন্দুয়া প্রাণিসম্পদ অফিস সঠিক সেবা উপজেলাবাসী

চমক নিউজ, ময়মানসিংহ
জুন ২৪, ২০২১ ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

জনবল সংকটে কেন্দুয়া প্রাণিসম্পদ অফিস সঠিক সেবা উপজেলাবাসী

কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি-

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলা প্রানিসম্পদ অফিসে জনবল সংকটের কারণে সঠিক সেবা পাচ্ছে না উপজেলাবাসী। এ অফিসে ১১ জন কর্মকর্তা কর্মচারীর স্থলে রয়েছে মাত্র ৫ জন। ফলে কৃষিপ্রধান ৩ লক্ষাধিক জনসংখ্যার এই উপজেলায় গৃহপালিত পশু-পাখির চিকিৎসাসহ প্রসব-প্রজনন কাজে চরম বিঘ্ন ঘটছে।

বিশেষ করে গরু-ছাগলের খামারীগণ পড়েছেন মারাত্মক দূর্বিপাকে। তাছাড়া বিভিন্ন রোগ বালাইয়ের জন্য ঐসব গবাদি পশুর মালিক অনেক টাকা ব্যায় করে যেতে হয় দূরে কোথাও চিকিৎসার জন্য। খামারি বিপুল, মামুন, বাচ্চু, তরিকুল, সালাম জানান, তাদের খামারে অনেক বড় বড় বিভিন্ন প্রজাতির গরু-বাছুর রয়েছে।

এ গুলোর প্রজনন প্রসব সহ বিভিন্ন চিকিৎসার জন্য ট্রলি ভাড়া করে গরু নিয়ে যেতে হয়। এতে প্রচুর ব্যয় হয় যা সাধারণের পক্ষে অনেক সময় সম্ভব হয় না। কেন্দুয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে লোকবল কম থাকায় খুবই সমস্যা হচ্ছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে খামারীসহ অনেক কৃষকের গবাদিপশু পালনে অনিহা চলে আসবে।

এ ব্যাপারে কেন্দুয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: খোরশিদ দেলোয়ার বিষয়টি স্বীকার করে জানান, কেন্দুয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে আমিসহ ১১টি পদ রয়েছে। এর মধ্যে ৬টি পদই বর্তমানে শূণ্য। মাত্র ৫ জনে এতবড় উপজেলার মানুষকে সেবা দেওয়া খুবই কঠিন।

তিনি আরও বলেন, আমি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্তমর্তা হলেও কেরানীর কাজও আমাকেই করতে হয়। এত কাজ এত কম লোকবলে করা যায় না।

কি কি পদ শূণ্য রয়েছে জানতে চাইলে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: খোরশিদ দেলোয়ার এ প্রতিবেদককে জানান, আমাদের ১১টি পদ হলো যথাক্রমে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ১ জন, ভেটেরিনারী সার্জন ১ জন, উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (স্বাস্থ্য) ১ জন, উপ- সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (সম্প্রসারণ) ৪ জন, উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (কৃত্রিম প্রজনন) ১ জন, সিসিটি ১ জন, ড্রেসার ১ জন এবং অফিস সহকারী ১ জন। এই ১১ জন থাকার কথা। তারমধ্যে উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (সম্প্রসারণ) ৪ জনের পদই শূণ্য রয়েছে। টিসিটি পদে ১জন এবং উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কৃত্রিম প্রজনন পদটি শূণ্য রয়েছে। এতে কৃত্রিম প্রজননের বিরাট সমস্যা হচ্ছে।

এছাড়া ভ্যাকসিন দেওয়ার সমস্যা সম্প্রসারণ সমস্যা, অফিস কাজের সমস্যাসহ মাঠ পর্যায়ে কাজ করা যাচ্ছে না। ফলে উপজেলা খামারীসহ সকল কৃষকদের সার্বিক ভাবেই সমস্যা হচ্ছে। ইতিমধ্যে জনবল সংকট জানিয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েও কাজ হয়নি। অনতিবিলম্বে জনবল সংকট না কাটতে পারলে বড় ক্ষতির সম্মুখিন হবেন খামারীসহ সাধারণ কৃষকও।

স/বি