ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৮ আগস্ট ২০১৯
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

গৌরীপুরে বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষন

nayem ahmed
আগস্ট ৮, ২০১৯ ৪:১৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

গৌরীপুর ময়মনসিংহ থেকে শেখ বিপ্লব : বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীকে ধর্ষনের অভিযোগ তুলে থানায় মামলা দায়ের করে কিশোরীর বাবা মোহাম্মদ আলী। এ ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার ডৌহালখা ইউনিয়নের নন্দীগ্রামে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উল্লেখিত ইউনিয়নের নন্দীগ্রামের মোহাম্মদ আলীর কিশোরী কাজল (ছদ্দ নাম) (১৫) ৩ বছর পূর্বে ঝাউগাই আলীম উদ্দিন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ম শ্রেনীতে পড়ার সময় কলতাপাড়া নজরুল ইসলামের ছেলে মোঃ ফারুক আহাম্মেদ রবিন (২০) প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিল।

প্রস্তাব প্রত্যাক্ষান করার পর বখাটে তাকে উত্যক্ত করতে শুরু করে। বখাটের লালসা পুরনের নেশায় ৩ বছর নাজমা পিছনে পড়ে থাকের পরে তার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।

নাজমার মা তাল্লু স্পিনিং মিলের শ্রমিক বাবা দিনমজুর হওয়ায় গত ৮ জুন রাতে খালিবাড়ীতে পেয়ে লম্পট রবিন বিয়ের প্রলোভনে ফুসলিয়ে নাবালিকা কিশোরীকে নিয়ে পালিয়ে যায়।

মা বাবা বাড়ী ফিরে মেয়েকে না পেয়ে অনেক খোজাখুজি করে লোক মুখে শুনতে পায় রবিনে মা মোছাঃ বিউটি বেগম ও তার বান্ধবী মোছাঃ নাছিমা বেগমসহ অজ্ঞাত ২/৩ জনের সহযোগীতায় রবিন নাজমাকে নিয়ে নারায়নগঞ্জেরে ফতুল্লা থানাধীন পেয়ারাবাগান এলাকা চলে যায়।

পরে সেখানে মুন্সি দিয়ে তারা বিয়ে করে বাসা ভাড়া নিয়ে সংসার করে। ১৯ জুলাই রবিনের মা বিউটি বেগম মোবাইল ফোনে তার ছেলেকে বলে পারিবারিক সমস্যা সমাধান হয়েছে নাজমাকে নিয়ে চুড়ালী নাছিমার বাড়ী চলে আসতে ।

২২ জুলাই রবিন মার কথামত নাজমাকে নিয়ে তার মার বান্ধবী নাছিমার বাড়ীতে চলে আসে। সেখানে রবিন ও নাজমা ৭ দিন থাকার পর ৩০ জুলাই রাত প্রায় ১০ টার সময় রবিনের মা তার বান্ধবী নাছিমার চুড়ালীর বাড়ীতে যায়। সেখানে গিয়ে নাজমাকে মারধর করে ছেলেকে অনত্রে সড়িয়ে দেয় ।

বিউটি ওই স্থান ত্যাগ করার আগে নাজমাকে হুমকি দিয়ে বলে যদি এ বিষয়টি কাউকে বলে তাহলে তার ক্ষতি করবে। এ ঘটনার পরে নাছিমার স্বামী বাচ্চু মিয়া সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম সরকারকে বিষয়টি অবগত করে। চেয়ারম্যান মেয়েকে নিয়ে গাজীপুরস্থ তার কার্যালয়ে যাওয়ার জন্য বাচ্চু মিয়াকে বলে পাশাপাশি মেয়ের বাবা মোহাম্মদ আলীকে খবর দেয়।

পরে মেয়েকে তার বাবার হাতে তুলে দিয়ে মোহাম্মদ আলীকে আইনের আশ্রয় নিতে বলে চেয়ারম্যান। এব্যাপারে চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম সরকারের সাথে কথাবললে তিনি তার সত্যতা স্বীকার করেন। এ ব্যাপারে মেয়ের বাবা মোহাম্মদ আলী গৌরীপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করে। মামলা নং ১৩ তারিখ ৭.৮.১৯ইং।

স/এষ্