ঢাকামঙ্গলবার , ৬ জুন ২০১৭
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

admin
জুন ৬, ২০১৭ ৮:১৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

শাহ আলম,গোয়াইনঘাট থেকে :
সিলেটের গোয়াইনঘাটের রুস্তম পুর ইউনিয়নের বিছনাকান্দি পাথর মহালের বৈধ ইজারাদার হয়েও ইউনিয়ন উন্নয়ন টেক্স আদায় করতে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান ও তার লোকজন কর্তৃক বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছেন ইজারাদার। গতকাল মঙ্গলবার বেলা ৩টায় গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে লিখিত বক্তব্য এমনটাই অভিযোগ করেছেন বগাইয়া গ্রামের মৃত আব্দুল হাকিমের ছেলে মোঃ আবুল কাশেম।
লিখিত বক্তব্য আবুল কাশেম উল্লেখ করেন রুস্তমপুর ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক বিছনাকান্দি পাথর মহালের ১৪২৩ বাংলা হইতে ১৪২৫ বাংলা সনের ৩০ চৈত্র বাংলা পর্যন্ত ইউনিয়ন উন্নয়ন টেক্স ও রপ্তানী টেক্স আহ্বান করলে টেন্ডারে অংশ গ্রহণ করে সকল আইনী প্রক্রিয়া নীতিমালা পুরনের মাধ্যমেই বিছনাকান্দি পাথর মহালের ইউনিয়ন উন্নয়ন টেক্স ও রপ্তানী টেক্স সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে বিভিন্ন শর্তাবলী পুরণ সাপেক্ষে আমার অনুকুলে বৈধভাবে ইজারা প্রদান করা হয়। ইজারা গ্রহণের পর গত ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ইং তারিখে আমি উক্ত মহালটি দখল পেতে আবেদন করি। এসময় তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ ইউপি সদস্য আব্দুস সালাম, নুরুল আমিন, আব্দুর রশিদ, নুরুল হক, শ্রীমতি পদ্মাদেবীর সীলমোহর ও স্বাক্ষরিত চুক্তি পত্রের মাধ্যমে স্পষ্ট ভাবে আমাকে পাথর মহালটি বুঝিয়ে দেন। ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক আমাকে দেয়া ওই চুক্তিপত্রে সীলমোহর ছাড়াও তৎকালিন ১ ও ৪নং ওয়ার্ডের সদস্য এবং ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে । ওই চুক্তি পত্রে বর্ণিত মহালটির ১৪২৩ বাংলা সনের ইজারা মূল্য ৩,৭৩,৮২৫/- টাকা। ১৫% ভ্যাট বাবদ ৫৬,০৭৩.৭৫ টাকা। ৫% আয়কর বাবদ ১৮,৬৯১.২৫ টাকা জমাদান পূর্বক আমাকে ইজারা প্রদান করা হয়।
লিখিত অভিযোগে তিনি দাবি করেন ইজারা গ্রহণের পর থেকে শান্তি পূর্ণভাবে ইজারা গ্রহণের শর্তানুযায়ী ১৪২৩ বাংলা সনের ১লা বৈশাখ হতে ৩০শে চৈত্র পর্যন্ত টেক্স আদায় করি এবং আমার চুক্তিপত্রের শর্তানুযায়ী ১৫% বর্ধিত হারে ইজারামূল্য ৪,২৯,৮৯৯/- টাকা বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, হাদারপার শাখায় গত ১৭ এপ্রিল ২০১৭ইং তারিখে রুস্তমপুর ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব একাউন্টে জমা প্রদান করেছি। কিন্তু ১৪২৪ বাংলা সন শুরু হওয়ার পর থেকে রুস্তমপুর ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন শিহাবের অতি আস্থাভাজন স্থানীয় মাটিকাপা গ্রামের আব্দুল মন্নান ও খলামাধব গ্রামের ইসমাইল আলী মাষ্টারের ছেলে মজম্মিল আলীর মাধ্যমে আমার বৈধ টেক্স আদায়ে বিভিন্ন ভাবে বাঁধা প্রদান করা হচ্ছে। তারা আমার বৈধ ইজারাকৃত উক্ত পাথর মহালটির টেক্স আদায়ের ঘাট দখলের পায়তারায় লিপ্ত রয়েছে। অনেকেই আবার বিভিন্ন ভাবে আমার নিকট চাঁদা দাবী করে আসছেন। বর্তমান চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন শিহাব ওই মহালটি আমার হাত থেকে নেওয়ার উদ্দেশ্যে আমার ৩ বছরের লীজকৃত মহালটির এক বছরের একটি জাল চুক্তি পত্র তৈরি করে আমাকে হয়রানীর চেষ্টা করছেন। আমার অনুকুলে ইজারাকৃত মহালটির টেক্স আদায়ে বাঁধা না দেওয়ার জন্য ৩১ মে ২০১৭ ইং তারিখে মহামান্য হাইকোর্টে আমি রিট পিটিশন দায়ের করি। উক্ত রিট পিটিশনের আলোকে মহামান্য হাইকোর্ট আমার ইজারাকৃত মহালটিতে টেক্স আদায়ের ক্ষেত্রে কোন ধরনের অসুবিধা সৃষ্টি না করে আমাকে যথাযথভাবে টেক্স আদায়ের ক্ষেত্রে সহযোগিতা করার জন্য রুস্তমপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে নির্দেশনা প্রদান করেন। কিন্তু মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে রুস্তমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমাকে নানাভাবে বাঁধার সৃষ্টি করে আসছেন। এমতাবস্থায় আমি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কৃপাদৃষ্টি কামনা করছি।

স/এষ্