জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিচারিক আদালতের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে তা পরিবর্তনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আবেদনের বিষয়ে আগামী ৮ মার্চ আদেশ দেবেন হাইকোর্ট। শুনানি শেষে রবিবার (০৫ মার্চ) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ আদেশের এই দিন ধার্য করেন।
আদালতে খালেদার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। অপরদিকে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।
গত ২২ ফেব্রুয়ারি আবেদনের ওপর শুনানি শুরু হয়। চার কার্যদিবস শুনানি শেষে রবিবার আদেশের এই দিন ধার্য করা হয়েছে।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিচারিক আদালতের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন খালেদা জিয়া। মামলাটি বর্তমানে রাজধানীর বকশীবাজারে অবস্থিত আবু আহমেদ জমাদারের বিশেষ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। আবেদনে মামলাটি অন্য আদালতে স্থানান্তরের আরজি জানানো হয়।
বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর হাইকোর্ট বেঞ্চে গত ১৩ ফেব্রুয়ার আবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই আদালতের এখতিয়ার পরিবর্তন হওয়ায় পরে মামলাটি বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে শুনানির জন্য আবেদন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। সেদিনই আদালত ২২ ফেব্রুয়ারি আবেদনের ওপর শুনানির দিন রেখেছিলেন।
মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা দায়ের করে দুদক। এতিমদের সহায়তা করার উদ্দেশ্যে একটি বিদেশি ব্যাংক থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ এনে এ মামলা দায়ের করা হয়।
খালেদা ছাড়াও এ মামলার অপর আসামিরা হলেন- বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক সাংসদ ও ব্যবসায়ী কাজী সালিমুল হক কামাল, সাবেক মুখ্যসচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ ও জিয়াউর রহমানের বোনের ছেলে মমিনুর রহমান।
স/শা

