বরগুনা প্রতিনিধি : বরগুনার তালতলীতে বিয়ে করার প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে ওই ধর্ষিতা বিয়ের জন্য চাপ দিলে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যৌনপল্লীতে বিক্রি করে দেয়া হয়। এ ঘটনায় কিশোরীর মা কুলসুম বেগম বাদী হয়ে শনিবার রাতে অভিযুক্ত কোষ্টগার্ডের মাঝি আবুল কালামসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের গাবতলী গ্রামের মোঃ মজিবর এর কিশোরী কন্যাকে (১৬) বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মেনিপাড়া গ্রামের আঃ বারেক হাওলাদারের ছেলে নিদ্রা-সখিনা কোষ্টগার্ডের মাঝি আবুল কালাম দীর্ঘ ২ বছর ধরে দৈহিক সম্পর্ক করে আসছে। এক পর্যায় মেয়েটি বিয়ের জন্য চাপ দিলে সে তাকে বিয়ে করতে অস্বীকার করে। একপর্যায় গত ৪ মাস আগে আবুল কালাম ওই কিশোরীকে পটুয়াখালী যৌনপল্লীতে নিয়ে বিক্রি করে দেয়। সেখান থেকে ১৫ দিন পর ওই কিশোরী কৌশলে পালিয়ে আসে।
মেয়েটি আবুল কালামকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে সে সম্পর্কের বিষয়টি অস্বীকার করে এবং স্থানীয় ভাবে মীমাংসার নামে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করে। পরে গত ৬ সেপ্টেম্বর রাত ১০টার দিকে কয়েকজন সহযোগী নিয়ে ধর্ষক কোষ্টগার্ডের ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে মাঝি কালাম মেয়েটিকে বাড়ি থেকে অপহরণ করে নিয়ে আসে। এরপর থেকে মেয়েটির আর কোন খোজ পাওয়া যায়নি। কিশোরী ধর্ষণ ও অপহরণের অভিযোগে ৬ জনকে আসামী করে থানায় মামলা হয়েছে। তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ পুলক চন্দ্র রায় জানান, ধর্ষণ ও অপহরণের অভিযোগে আবুল কালামসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।
স/এষ্

