আলোচনা হলো, তারিখ নির্ধারণ হলো। তারপরও কেন আন্দোলন? কোটা পদ্ধতিই থাকারই দরকার নাই। নয়তো আবার সংস্কার আন্দোলন হবে। কোটা পদ্ধতি বাতিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বুধবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ অধিবেশনে যোগ দিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, শিক্ষাকে গঠন মূলক কাজে ব্যবহার করতে হবে। মৃত্যুর গুজব ছড়ানো হচ্ছে। কোটা পদ্ধতি বিভিন্ন সময় সংস্কার করা হয়েছে। মেধা থেকে ৭৭ ভাগ নিয়োগ হচ্ছে। তারপরও আন্দোলন কেন?
শেখ হাসিনা বলেন, সব থেকে নেক্কার জনক ঘটনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বাসবভনে হামলা! ওই আক্রমণ ৭১এ হামলার মত হয়েছে। এ ঘটনা পরিকল্পিত। ওরা ছাত্র নয়। আমি নিন্দা জানাচ্ছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছাত্ররা দাবি করেছে। আমরা তো বসে নেই। কেবিনেটে আলোচনা করেছি। আমি কেবিনেট সেক্রেটারিকে নির্দেশ দিয়েছি। মন্ত্রী বসলো সমযোতা হলো। অনেকে মানলো অনেকে মানলো না। কেন? এর যৌক্তকতা কি? ছাত্ররা এমন ধ্বংসাত্বক কাজ করবে কেন? রাস্তায় রাস্তায় আগুন দিচ্ছে। এটা কেন?
আমার কথা হচ্ছে। আমরা একটা নীতি নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করি। যারা আন্দোলন করছে। তারা অনেকে আমাদের নাতির বয়সী। আমরা কি তাদের ভাল মন্দ বুঝিনা? ৩৭ বিসিএসে মেধা ভিত্তিক ৭৭ ভাগ নিয়োগ হয়েছে।
প্রসঙ্গত, সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা ব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে আন্দোলন ঢাবিসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন চলছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট ঘোষণা না আসা পর্যন্ত বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। সারা দেশে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে।
স/এষ্

