কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরের কেশবপুরে এক গৃহবধূর গায়ে পেট্রোল দিয়ে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে এক যুবক। পরে সে নিজের গায়ে প্রেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়ে পুড়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই গৃহবধু ও তাঁর প্রেমিক পাগল যুবককে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্যে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার গৌরিঘোনা ইউনিয়নের ভরতভায়না গ্রামে। এ ঘটনায় ওই দগ্ধ গৃহবধুর ভাসুর রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে গত বুধবার কেশবপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে।
জানা গেছে, উপজেলার কন্দর্পপুর গ্রামের আউয়াল সরদারের মেয়ে মিতা খাতুনের সাথে ২০০৬ সালে গৌরিঘোনা ইউনিয়নের ভরতভায়না গ্রামের তৌহিদুল ইসলামের সাথে বিবাহ হয়। দীর্ঘ ১২ বছরের দাম্পত্য জীবনে তাদের দুটি সমত্মান রয়েছে। তৌহিদুল ইসলামের দূর সম্পর্কের আত্মীয় ডুমুরিয়া উপজেলার কপালিয়া গ্রামের মৃত খালেক গাজীর ছেলে বাবুল গাজী ব্যবসায়িক বিভিন্ন কাজে প্রায় সময় তাঁর বাড়িতে আসা যাওয়া করতেন। সুযোগ পেয়ে বাবুল গাজী বিভিন্ন কৌশলে তৌহিদুল ইসলামের স্ত্রী মিতাকে কু প্রসত্মাব দিতে থাকেন। এতে সে রাজি না হওয়ায় বাবুল গাজী ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২৪ এপ্রিল (মঙ্গলবার) রাত ৮ টার দিকে তৌহিদুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে তার স্ত্রী মিতা খাতুনের গায়ে পেট্টোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে নিজেও ওই আগুন পুড়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে বলে পুলিশ জানায়। খবর পেয়ে কেশবপুর থানার ইন্সপেক্টর তদমত্ম শাহজাহান আহমেদ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দগ্ধ দু‘জনকে উদ্ধার করে কেশবপুর হাসপাতালে ভর্তি করে। কিন্তু তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ওই রাতেই খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। আহত বাবুল গাজী পুলিশি নজরদারিতে রয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শেখ আবু শাহীন জানান, আগুনে পুড়ে দুজনেরই শরীরের প্রায় ৭০ শতাংশ ঝলসে গেছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ আব্দুল্যাহ জানান,এ ঘটনায় রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছে।
স/এম

