কেন্দুয়ায় লাম্পি রোগ ছড়িযে পড়ছে সর্বত্র
দিশেহারা গরুর মালিক
কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি- নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে কৃষকদের পালিত গরু-বাছুরের মাঝে ব্যাপক হারে দেখা দিয়েছে লাম্পি স্কিন ডিজিজ নামে এক ধরনের রোগ। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন আক্রান্ত গরুর মালিকগণ।
খোঁজ নিতে গেলে উপজেলার সান্দিকোনা ইউনিয়নের পূবাটি গ্রামের নূর মুহাম্মদ নয়ন নামের একজন জানান, তার চাচার একটি ষাঁড়গরুর পুরো শরীরে হঠাৎ করে গুটি দেখা দেয় এবং পুঁজের মত হয়। শরীরে কাঁপনী ও যন্ত্রনায় খাওয়া ছেড়ে দেয় আক্রান্ত গরুটি। এটি লাম্পিং ভাইরাস বলে প্রাণী সম্পদ দপ্তরের লোকেরা জানিয়েছেন। তিনি আরও জানান, সান্দিকোনা, ডাউকী, পূবাটি, গগডী, বেলাটি, হরিগাতি, মাইজহাটী, চরক্ষিদিরপুরসহ আশ পাশের অনেক গ্রামের গরুর শরীরে এই রোগ দেখা দিয়েছে।
কুরবানি ঈদ সামনে রেখে এই রোগের পাদুর্ভাবে গরুর মালিকরা এখন দিশেহারা। কচন্দারা গ্রামের লুৎফুর রহমান, জাকির মিয়া, কবিচন্দ্রপুর গ্রামের লাইচ মিয়ার গরুর শরীরেও এই রোগ দেখা দিয়েছে বলে জাহারুল ইসলাম জানান। গরুর এই রোগের বিষয়টি স্বীকার করে কেন্দুয়া উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: ভাস্কর চন্দ্র তালুকদার এই প্রতিবেদককে জানান, এই রোগটিকে লাম্পি স্কিন ডিজিজ বলে। কিছুদিন ধরে উপজেলার সর্বত্রই এই রোগটির পাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এন্টিবায়োটিক ঔষধের পাশাপাশি প্রতিদিন ড্রেসিং করতে আমরা পরামর্শ দিচ্ছি।
প্রত্যেকটা গ্রামে আমাদের টিম কাজ করছে। আমরা প্রতি কুরবানির পশুর হাট মনিটরিং করছি এবং হাটে মেডিকেল টিম নিয়োজিত আছে। সেখানে প্রতিদিন পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষাও করা হয়। আশা করি এই ভাইরাসটি অল্প দিনের মধ্যেই দমন হয়ে যাবে।
স/বি

