কেন্দুয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ছেলেকে নিয়ে দিশেহারা অসহায় বাবা-মা
কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি- নেত্রকোনা কেন্দুয়ার পাইকুড়া ইউনিয়নের সোহাগপুর গ্রামে প্রতিপক্ষ আব্দুল লতিফ, নাজমা গংদেও হামলায় মারাত্মক আহত বসুন্ধরা গ্রæপের এক নিরাপত্তা কর্মী মোস্তাফিজ (২১) কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে মৃত্যু যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন। মোস্তাফিজ সোহাগপুর গ্রামের সাদেক মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় সাদেক মিয়া বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২০ মার্চ ভোর বেলায় সোহাগপুর গ্রামে। ]
এর আগেও এই পরিবারটির উপর বাড়ির সীমানা নিয়ে এবং জমি সংক্রান্ত বিষয়ে দুইবার হামলা ও মারধোর করেছেন প্রতিবেশী আব্দুল লতিফ গং। মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ মার্চ সাদেক মিয়ার ১৫ দিন বয়সী একটি বাছুর প্রতিবেশী লতিফ মিয়ার বাড়িতে গেলে লতিফ মিয়ার স্ত্রী নাজমা আক্তারসহ পরিবারের লোকজন সাদেক মিয়ার স্ত্রী রেশা বেগম, ছেলে নজরুল ইসলামকে গালাগালসহ মারধর করে।
খবর পেয়ে ঢাকার বসুন্ধরা গ্রæপে কর্মরত নিরাপত্তাকর্মী মোস্তাফিজ ভোরের বাসে বাড়িতে আসেন। খবর পেয়ে প্রতিপক্ষ আব্দুল লতিফের ছেলে সাব্বির, আব্দুল লতিফ, নাজমা আক্তার গং মোস্তাফিজকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে। এ সময় মোস্তাফিজের কাছে থাকা ৫৫ হাজার টাকা লুট করে নিয়া যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
পরে স্বজনরা মোস্তাফিজকে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। মোস্তাফিজ এখনও ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শুক্রবার (২৫ মার্চ) সন্ধ্যায় বাদীর ছেলে সোহেল রানা ও মেয়ে সেলিনা জানান, প্রভাবশালী আব্দুল লতিফ ও তার স্ত্রী নাজমা আক্তারের পরিবারটির জন্য আমরা অসহায় ও নিরাপত্তা হীনতায় ভূগছি। তারা আমাদের বাড়ির সীমানার খুঁটি সরিয়ে দিয়ে আমাদের বাড়ি-জমি দখলের পায়তারা করছে। আমরা খুবই অসহায়। থানায়
অভিযোগ করলেও এখন পর্যন্ত পুলিশের তৎপরতা না থাকায় আমাদেরকে তারা নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে। এ ব্যাপারে পাইকুড়া ইউনিয় পরিষেদের চেয়ারম্যান ইসলাম উদ্দিন বলেন, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড মেম্বার হারিছ মিয়াকে দায়িত্ব দিয়েছিলাম। তার পরও বিষয়টি মিমাংশার চেষ্টা করছি। কেন্দুয়া থানা ওসি কাজী শাহনেওয়াজ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। মামলার রেকর্ড করে দ্রæত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স/বি

